বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না; বরং তা বেকারত্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা কখনোই বেকার তৈরির জন্য নয়—বরং দক্ষ বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না; বরং তা বেকারত্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা কখনোই বেকার তৈরির জন্য নয়—বরং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রধান হাতিয়ার হওয়া উচিত।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন এখন অপরিহার্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাঠ্যক্রম ও বাস্তব কর্মবাজারের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সনদ অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করছে। কিন্তু শিল্পখাত, প্রযুক্তি খাত ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। এই ব্যবধান কমাতে হলে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। একই সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. মিলন আরও বলেন, শুধু সাধারণ ডিগ্রি নয়—দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকার মূল শর্ত। তাই শিক্ষানীতিতে বাস্তবমুখী পরিবর্তন এনে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠনের মাধ্যমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সরাসরি অবদান রাখবে এবং তরুণ সমাজের বেকারত্ব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন এখন অপরিহার্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাঠ্যক্রম ও বাস্তব কর্মবাজারের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সনদ অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করছে। কিন্তু শিল্পখাত, প্রযুক্তি খাত ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। এই ব্যবধান কমাতে হলে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। একই সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. মিলন আরও বলেন, শুধু সাধারণ ডিগ্রি নয়—দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকার মূল শর্ত। তাই শিক্ষানীতিতে বাস্তবমুখী পরিবর্তন এনে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠনের মাধ্যমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সরাসরি অবদান রাখবে এবং তরুণ সমাজের বেকারত্ব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না; বরং তা বেকারত্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা কখনোই বেকার তৈরির জন্য নয়—বরং দক্ষ বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না; বরং তা বেকারত্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা কখনোই বেকার তৈরির জন্য নয়—বরং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রধান হাতিয়ার হওয়া উচিত।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন এখন অপরিহার্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাঠ্যক্রম ও বাস্তব কর্মবাজারের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সনদ অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করছে। কিন্তু শিল্পখাত, প্রযুক্তি খাত ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। এই ব্যবধান কমাতে হলে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। একই সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. মিলন আরও বলেন, শুধু সাধারণ ডিগ্রি নয়—দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকার মূল শর্ত। তাই শিক্ষানীতিতে বাস্তবমুখী পরিবর্তন এনে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠনের মাধ্যমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সরাসরি অবদান রাখবে এবং তরুণ সমাজের বেকারত্ব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন এখন অপরিহার্য। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাঠ্যক্রম ও বাস্তব কর্মবাজারের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্য রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সনদ অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করছে। কিন্তু শিল্পখাত, প্রযুক্তি খাত ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। এই ব্যবধান কমাতে হলে কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। একই সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. মিলন আরও বলেন, শুধু সাধারণ ডিগ্রি নয়—দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাই ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকার মূল শর্ত। তাই শিক্ষানীতিতে বাস্তবমুখী পরিবর্তন এনে তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্গঠনের মাধ্যমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সরাসরি অবদান রাখবে এবং তরুণ সমাজের বেকারত্ব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন