ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাউবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম স্যারকে ঢাবি উপাচার্য হিসেবে দেখতে চায়।

বাউবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম স্যারকে ঢাবি উপাচার্য হিসেবে দেখতে চায়।

বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা -শিক্ষামন্ত্রী

বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা -শিক্ষামন্ত্রী

বিদেশি ভাষাকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বিদেশি ভাষাকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন।

২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন।

বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সুখবর

বেসরকারি শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সুখবর

এমপিও শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো নিয়ে যে আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এমপিও শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো নিয়ে যে আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় ঠিক করা হবে।

বিদেশি ভাষাকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বিদেশি ভাষাকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত

শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি একটি বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন জরুরি। সেই লক্ষ্যেই প্রাথমিকভাবে একটি বিদেশি ভাষা বাধ্যতামূলক করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোন ভাষা নির্ধারণ করা হবে, তা বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় ঠিক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য ভাষাগুলোর মধ্যে আরবি, চীনা, জাপানি, ফরাসি কিংবা জার্মান ভাষা থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, নতুন এই নীতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমে মাধ্যমিক স্তরে পাইলট প্রকল্প চালু হতে পারে। পরে অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে তা প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিদেশে কর্মসংস্থান এবং কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সুযোগ বাড়বে। তবে এর জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত শিক্ষক, পাঠ্যবই এবং অবকাঠামোগত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

সরকার বলছে, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখন দেখার বিষয়, বাস্তবায়নের রূপরেখা কেমন হয় এবং শিক্ষার্থীরা নতুন এই পরিবর্তন কতটা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


বিদেশি ভাষাকে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা করা হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি একটি বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এই যুগে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন জরুরি। সেই লক্ষ্যেই প্রাথমিকভাবে একটি বিদেশি ভাষা বাধ্যতামূলক করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোন ভাষা নির্ধারণ করা হবে, তা বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় ঠিক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য ভাষাগুলোর মধ্যে আরবি, চীনা, জাপানি, ফরাসি কিংবা জার্মান ভাষা থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, নতুন এই নীতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথমে মাধ্যমিক স্তরে পাইলট প্রকল্প চালু হতে পারে। পরে অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে তা প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করা হলে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিদেশে কর্মসংস্থান এবং কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সুযোগ বাড়বে। তবে এর জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত শিক্ষক, পাঠ্যবই এবং অবকাঠামোগত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

সরকার বলছে, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখন দেখার বিষয়, বাস্তবায়নের রূপরেখা কেমন হয় এবং শিক্ষার্থীরা নতুন এই পরিবর্তন কতটা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল