মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন