ভোটার তালিকায় আজব কাণ্ড—এক বাবার শত শত সন্তান!
ভোটার তালিকায় অস্বাভাবিক ‘এক বাবার ৩৮৯ সন্তান’—ভোটারের নামের পাশে এমন তথ্য কিভাবে এল?
???? পশ্চিমবঙ্গ, ভারত — পশ্চিমবঙ্গের ২০২৫–২৬ সালের ভোটার তালিকা সংশোধনের (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ায় এমন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যেখানে এক ব্যক্তিকে ৩৮৯ জন ভোটারের পিতা/বাবা হিসেবে দেখানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) এই তথ্যকে বাস্তব ও বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব বলে অভিহিত করেছে এবং এটি “logical discrepancy” বা যৌক্তিক ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছে
???? কী ঘটেছে?
???? ভোটার তালিকা প্রস্তুতির সময় SIR প্রক্রিয়ায় পুরনো ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সাথে নতুন এনুমারেশন ফরমগুলিকে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
???? এই মিলানোর সময়, একজন ব্যক্তির নাম একইভাবে ৩৮৯ জন ভোটারের ‘পিতা’ হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। বাস্তবে এমন ঘটনা সম্ভব না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন এটিকে প্রযুক্তিগত/তথ্যগত ভুল হিসাবে বিবেচনা করেছে। �
???? একই ধরনের আরও অনেক “logical discrepancy” ধরা পড়েছে—যেমন এক ব্যক্তি ৩০০+ জনের পিতা, কোনো ব্যক্তির বাবার বয়স সন্তানের থেকে কম দেখানো, বা বাবা ও সন্তানের বয়সের অমনোনীতি।
???? কমিশনের ব্যাখ্যা
???? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে এসব অস্বাভাবিকতা ভুল তথ্য, টাইপিং বা ডিজিটাইজেশনের ত্রুটি থেকে এসেছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
???? কমিশন এরকম বহু “logical discrepancy” শনাক্ত করেছে—অনেক ক্ষেত্রে এক থেকেই বেশি সন্তানের হিসাব, বয়সগত অসঙ্গতি ইত্যাদি। এইসব ভুয়ো বা ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নোটিশ জারি করা হয়েছে যাতে তারা প্রমাণ সহ ফেলনটি সংশোধন বা পরিষ্কার করতে পারে।
???? কমিশনের উদ্যোগ
✅ কমিশন বলছে, এসব ভুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটারের ভোটাধিকার খর্ব করবে না; বরং ভুলগুলো সংশোধনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
✅ এখন কমিশন পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকছে, যেখানে তারা যথাযথ ডকুমেন্ট দিয়ে নিজেদের তথ্য প্রমাণ করতে পারবে

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটার তালিকায় আজব কাণ্ড—এক বাবার শত শত সন্তান!
ভোটার তালিকায় অস্বাভাবিক ‘এক বাবার ৩৮৯ সন্তান’—ভোটারের নামের পাশে এমন তথ্য কিভাবে এল?
???? পশ্চিমবঙ্গ, ভারত — পশ্চিমবঙ্গের ২০২৫–২৬ সালের ভোটার তালিকা সংশোধনের (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ায় এমন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যেখানে এক ব্যক্তিকে ৩৮৯ জন ভোটারের পিতা/বাবা হিসেবে দেখানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) এই তথ্যকে বাস্তব ও বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব বলে অভিহিত করেছে এবং এটি “logical discrepancy” বা যৌক্তিক ভুল হিসাবে চিহ্নিত করেছে
???? কী ঘটেছে?
???? ভোটার তালিকা প্রস্তুতির সময় SIR প্রক্রিয়ায় পুরনো ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সাথে নতুন এনুমারেশন ফরমগুলিকে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
???? এই মিলানোর সময়, একজন ব্যক্তির নাম একইভাবে ৩৮৯ জন ভোটারের ‘পিতা’ হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। বাস্তবে এমন ঘটনা সম্ভব না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন এটিকে প্রযুক্তিগত/তথ্যগত ভুল হিসাবে বিবেচনা করেছে। �
???? একই ধরনের আরও অনেক “logical discrepancy” ধরা পড়েছে—যেমন এক ব্যক্তি ৩০০+ জনের পিতা, কোনো ব্যক্তির বাবার বয়স সন্তানের থেকে কম দেখানো, বা বাবা ও সন্তানের বয়সের অমনোনীতি।
???? কমিশনের ব্যাখ্যা
???? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে এসব অস্বাভাবিকতা ভুল তথ্য, টাইপিং বা ডিজিটাইজেশনের ত্রুটি থেকে এসেছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
???? কমিশন এরকম বহু “logical discrepancy” শনাক্ত করেছে—অনেক ক্ষেত্রে এক থেকেই বেশি সন্তানের হিসাব, বয়সগত অসঙ্গতি ইত্যাদি। এইসব ভুয়ো বা ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নোটিশ জারি করা হয়েছে যাতে তারা প্রমাণ সহ ফেলনটি সংশোধন বা পরিষ্কার করতে পারে।
???? কমিশনের উদ্যোগ
✅ কমিশন বলছে, এসব ভুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটারের ভোটাধিকার খর্ব করবে না; বরং ভুলগুলো সংশোধনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
✅ এখন কমিশন পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকছে, যেখানে তারা যথাযথ ডকুমেন্ট দিয়ে নিজেদের তথ্য প্রমাণ করতে পারবে

আপনার মতামত লিখুন