জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমান হবে: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে রাজনীতি যেন শুধু পুরনো প্রথা ও অভ্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে—তাও চাইছে না মানুষ। তিনি বলেন, “আগের ২৩ বছর ও পরের ৫৪ বছর—মিলে ৭৭ বছর আমরা দেখেছি। আপনারা কি সেই পুরোনো রাজনীতি চান? তরুণ-তরুণী, শিশুরাও চায় না, মা-বোনরাও চায় না। এবার বাংলাদেশ পরিবর্তন চায়।”
ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনী
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জানান, জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতায় এলে দেশের সব বিভাগীয় শহরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে উন্নত করা হবে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে শহরগুলোতে আধুনিক সেবা, কার্যকর প্রশাসন এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।তিনি আরও বলেন, নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিক, নারী বা পুরুষ, সমানভাবে চাকরির সুযোগ পাবেন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারবেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও আশ্বাস দেন, এই উন্নয়নমূলক নীতি তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়ন করবে এবং সমাজে বৈষম্য কমাতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান—এই চারটি ক্ষেত্রেই আমরা সমানভাবে মনোযোগ দেব।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জামায়াতে ইসলামী যখন এই ধরনের সমানাধিকার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নিয়ে আসে, তা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। নির্বাচনী প্রচারণায় এই বিষয়গুলো তরুণ ভোটারদের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সমান হবে: ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে রাজনীতি যেন শুধু পুরনো প্রথা ও অভ্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে—তাও চাইছে না মানুষ। তিনি বলেন, “আগের ২৩ বছর ও পরের ৫৪ বছর—মিলে ৭৭ বছর আমরা দেখেছি। আপনারা কি সেই পুরোনো রাজনীতি চান? তরুণ-তরুণী, শিশুরাও চায় না, মা-বোনরাও চায় না। এবার বাংলাদেশ পরিবর্তন চায়।”
ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জানান, জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতায় এলে দেশের সব বিভাগীয় শহরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে উন্নত করা হবে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে শহরগুলোতে আধুনিক সেবা, কার্যকর প্রশাসন এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নারী ও পুরুষের কর্মসংস্থান সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিক, নারী বা পুরুষ, সমানভাবে চাকরির সুযোগ পাবেন এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারবেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও আশ্বাস দেন, এই উন্নয়নমূলক নীতি তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়ন করবে এবং সমাজে বৈষম্য কমাতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, “শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান—এই চারটি ক্ষেত্রেই আমরা সমানভাবে মনোযোগ দেব।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জামায়াতে ইসলামী যখন এই ধরনের সমানাধিকার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নিয়ে আসে, তা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। নির্বাচনী প্রচারণায় এই বিষয়গুলো তরুণ ভোটারদের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন