জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৭ হত্যা: সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ
২০১৬ সালে গাজীপুরের পাতারটেক এলাকায় ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বহুল আলোচিত এই ঘটনায় প্রথমবারের মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কথিত জঙ্গি অভিযানের নামে পরিকল্পিতভাবে সাতজন নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযানের আগে ঘটনাস্থলে কোনো সশস্ত্র সংঘর্ষের প্রমাণ ছিল না এবং নিহতদের ‘জঙ্গি’ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য ঘটনাটি সাজানো হয়েছিল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযানের পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও বাস্তবায়নে অভিযুক্তরা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর গণমাধ্যমে ভিন্ন বর্ণনা তুলে ধরে ঘটনাটিকে সফল জঙ্গি দমন অভিযান হিসেবে প্রচার করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে এসব হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন বলছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালানো আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এই মামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছেন আইন বিশ্লেষকরা। ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী শুনানির তারিখ শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৭ হত্যা: সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ
২০১৬ সালে গাজীপুরের পাতারটেক এলাকায় ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বহুল আলোচিত এই ঘটনায় প্রথমবারের মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কথিত জঙ্গি অভিযানের নামে পরিকল্পিতভাবে সাতজন নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযানের আগে ঘটনাস্থলে কোনো সশস্ত্র সংঘর্ষের প্রমাণ ছিল না এবং নিহতদের ‘জঙ্গি’ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য ঘটনাটি সাজানো হয়েছিল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযানের পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও বাস্তবায়নে অভিযুক্তরা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর গণমাধ্যমে ভিন্ন বর্ণনা তুলে ধরে ঘটনাটিকে সফল জঙ্গি দমন অভিযান হিসেবে প্রচার করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে এসব হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন বলছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালানো আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযোগ গঠনের পর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এই মামলাকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছেন আইন বিশ্লেষকরা। ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী শুনানির তারিখ শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন