ঢাকা-১১: বিএনপি প্রার্থীর যোগ্যতা চ্যালেঞ্জ করলেন নাহিদ ইসলাম
ঢাকা-১১ (কামরাঙ্গীর চর) আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা এবার হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন।
১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিজে হাইকোর্টে হাজির হয়ে রিট দায়ের করেন। রিটে আদালতের কাছে এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকলে তা আদালতের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। জনগণ যেন ভরসা রাখতে পারে।”
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রার্থী মনোনয়নপত্র যাচাই প্রক্রিয়া চলছে, এবং প্রার্থী অনুমোদনের আগে যে কোনো আইনি চ্যালেঞ্জ আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
বিএনপির পক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রিটের ফলে ঢাকা-১১ আসনে ভোটগ্রহণের সময়সূচিতে কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই, তবে আদালতের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
ঢাকা-১১ আসনটি মূলত বিএনপির প্রাচীন শক্তিক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ফলে এই চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী লড়াইকে আরও কঠিন ও প্রতিস্পর্ধী করতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আদালতের রায়ে প্রার্থী ও দলের রাজনৈতিক কৌশল প্রভাবিত হতে পারে।
নির্বাচনী কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রার্থিতা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থী নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন না।
এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে রিটের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ও নাগরিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন ঢাকা-১১ আসনের দিকে থাকছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-১১: বিএনপি প্রার্থীর যোগ্যতা চ্যালেঞ্জ করলেন নাহিদ ইসলাম
ঢাকা-১১ (কামরাঙ্গীর চর) আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা এবার হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন।
১১ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলাম সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিজে হাইকোর্টে হাজির হয়ে রিট দায়ের করেন। রিটে আদালতের কাছে এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। প্রার্থীদের যোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকলে তা আদালতের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। জনগণ যেন ভরসা রাখতে পারে।”
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রার্থী মনোনয়নপত্র যাচাই প্রক্রিয়া চলছে, এবং প্রার্থী অনুমোদনের আগে যে কোনো আইনি চ্যালেঞ্জ আদালতের মাধ্যমে সমাধান করা হবে।
বিএনপির পক্ষ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রিটের ফলে ঢাকা-১১ আসনে ভোটগ্রহণের সময়সূচিতে কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই, তবে আদালতের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
ঢাকা-১১ আসনটি মূলত বিএনপির প্রাচীন শক্তিক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ফলে এই চ্যালেঞ্জ নির্বাচনী লড়াইকে আরও কঠিন ও প্রতিস্পর্ধী করতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আদালতের রায়ে প্রার্থী ও দলের রাজনৈতিক কৌশল প্রভাবিত হতে পারে।
নির্বাচনী কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রার্থিতা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থী নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন না।
এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে রিটের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ও নাগরিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন ঢাকা-১১ আসনের দিকে থাকছে।

আপনার মতামত লিখুন