পাকিস্তানে অভূতপূর্ব সংবর্ধনা ও বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় শুরু
ঢাকা–করাচি সরাসরি বিমান যোগাযোগ ১৪ বছর পর আবার শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও বেসামরিক সংযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরাসরি বিমান সেবা শুরু
• ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাত ~৮:০০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর BG-341 ফ্লাইট ঢাকা থেকে করাচির উদ্দেশ্যে ঊড্ডয়ন করে।
• এই প্রথম সার্ভিসটি দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি ঢাকা–করাচি রুটে পরিচালিত হয়েছে।
• বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ~১১:০০টায় জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
যাত্রীর সংখ্যা ও সার্ভিস
• উদ্বোধনী ফ্লাইটে প্রায় ১৪০-১৫০ জন যাত্রী ছিলেন। �
• নিয়মিত এই রুটে ফ্লাইট চলাচল প্রায় প্রতি সপ্তাহে দুইবার (বৃহস্পতিবার ও শনিবার) পরিকল্পনা করা হয়েছে। �
• ফেরত ফ্লাইট BG-342 করাচি থেকে ঢাকা ফিরেছে রাত প্রায় ১২:০১টায়।
• দুই দেশের বিমান যোগাযোগের ১৪ বছর বিরতি ছিল কারণ ২০১২ সালের পর সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত ছিল।
• পাকিস্তান বিমানবন্দরে সংবর্ধনা ও অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বিমান কর্তৃপক্ষ ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যা উন্নত বেসামরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয়।
• এই রুটটি পুনরায় চালুর পদক্ষেপকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং মানুষ-থেকে-মানুষের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে অনেক পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন।
এটি শুধু একটি বিমান যোগাযোগ পুনরুদ্ধার নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ট্রানজিট হাব ছাড়াই দ্রুত ও সরাসরি রাস্তায় ভ্রমণের সুযোগও বৃদ্ধি করবে। �

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানে অভূতপূর্ব সংবর্ধনা ও বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় শুরু
ঢাকা–করাচি সরাসরি বিমান যোগাযোগ ১৪ বছর পর আবার শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ও বেসামরিক সংযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরাসরি বিমান সেবা শুরু
• ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাত ~৮:০০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর BG-341 ফ্লাইট ঢাকা থেকে করাচির উদ্দেশ্যে ঊড্ডয়ন করে।
• এই প্রথম সার্ভিসটি দীর্ঘ বিরতির পর সরাসরি ঢাকা–করাচি রুটে পরিচালিত হয়েছে।
• বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ~১১:০০টায় জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
যাত্রীর সংখ্যা ও সার্ভিস
• উদ্বোধনী ফ্লাইটে প্রায় ১৪০-১৫০ জন যাত্রী ছিলেন। �
• নিয়মিত এই রুটে ফ্লাইট চলাচল প্রায় প্রতি সপ্তাহে দুইবার (বৃহস্পতিবার ও শনিবার) পরিকল্পনা করা হয়েছে। �
• ফেরত ফ্লাইট BG-342 করাচি থেকে ঢাকা ফিরেছে রাত প্রায় ১২:০১টায়।
• দুই দেশের বিমান যোগাযোগের ১৪ বছর বিরতি ছিল কারণ ২০১২ সালের পর সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত ছিল।
• পাকিস্তান বিমানবন্দরে সংবর্ধনা ও অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বিমান কর্তৃপক্ষ ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যা উন্নত বেসামরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার ইঙ্গিত দেয়।
• এই রুটটি পুনরায় চালুর পদক্ষেপকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং মানুষ-থেকে-মানুষের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে অনেক পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন।
এটি শুধু একটি বিমান যোগাযোগ পুনরুদ্ধার নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ট্রানজিট হাব ছাড়াই দ্রুত ও সরাসরি রাস্তায় ভ্রমণের সুযোগও বৃদ্ধি করবে। �

আপনার মতামত লিখুন