পঞ্চগড়ে ১১ দলীয় জোটের ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার পদত্যাগ’ দাবিতে আল্টিমেটাম
পঞ্চগড়-১ আসন (আটোয়ারী, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর) নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রশাসনের ‘একতরফা’ আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
প্রতিবাদ ও অভিযোগ:
১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন যে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকেরা বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার ও ফেস্টুন বসিয়েও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না; কিন্তু জোটের প্রার্থীর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে—যা প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ বলে তারা মনে করছেন।
স্লোগান, অবস্থান ও বিক্ষোভের মাধ্যমে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান করে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ জানান।
৫ দফা দাবি ও আল্টিমেটাম:
বিক্ষোভে বক্তারা নিম্নলিখিত দাবি দেন এবং প্রশাসনকে অাল্টিমেটাম দিয়ে সময় বেঁধে দেন—
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ।
সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ (Level Playing Field) নিশ্চিত করা।
অবৈধভাবে সরানো ব্যানার ও ফেস্টুন পুনঃস্থাপন করা।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
জোটের নেতারা জানায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা পর্যন্ত এই দাবিগুলো না মানা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। বিক্ষোভটি রাত ১০টার দিকে অস্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
পঞ্চগড়ে ১১ দলীয় জোটের ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার পদত্যাগ’ দাবিতে আল্টিমেটাম
পঞ্চগড়-১ আসন (আটোয়ারী, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর) নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রশাসনের ‘একতরফা’ আচরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ১১ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
প্রতিবাদ ও অভিযোগ:
১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন যে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকেরা বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার ও ফেস্টুন বসিয়েও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না; কিন্তু জোটের প্রার্থীর ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন উদ্দেশ্যমূলকভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে—যা প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ বলে তারা মনে করছেন।
স্লোগান, অবস্থান ও বিক্ষোভের মাধ্যমে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে অবস্থান করে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ জানান।
৫ দফা দাবি ও আল্টিমেটাম:
বিক্ষোভে বক্তারা নিম্নলিখিত দাবি দেন এবং প্রশাসনকে অাল্টিমেটাম দিয়ে সময় বেঁধে দেন—
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ।
সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ (Level Playing Field) নিশ্চিত করা।
অবৈধভাবে সরানো ব্যানার ও ফেস্টুন পুনঃস্থাপন করা।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
জোটের নেতারা জানায়, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা পর্যন্ত এই দাবিগুলো না মানা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। বিক্ষোভটি রাত ১০টার দিকে অস্থায়ীভাবে স্থগিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন