আবারও রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানি কল্পনাও করা যায় না: হাসনাত আবদুল্লাহ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষের শহীদ হওয়ার পর এবং একটি ভয়ংকর স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটানোর পর আবার রাজনীতি করতে গিয়ে কাউকে খুন হতে হবে—এমন বাস্তবতা কল্পনাও করা যায় না।
তিনি বলেন, “আমরা যে মূল্য দিয়ে গণতন্ত্রের পথে এগিয়েছি, সেই অভিজ্ঞতার পরও যদি রাজনৈতিক সহিংসতা চলতে থাকে, তাহলে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ও বিপজ্জনক হবে।”
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার মাধ্যম। সেখানে ভয়, খুন ও দমন-পীড়নের কোনো জায়গা থাকতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
এনসিপির এই নেতা বলেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান দেখাতে হলে আমাদের সহিংস রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু তা কখনোই রক্তপাতের কারণ হবে না। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতিই দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের একমাত্র পথ।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
আবারও রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রাণহানি কল্পনাও করা যায় না: হাসনাত আবদুল্লাহ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে প্রায় দুই হাজার মানুষের শহীদ হওয়ার পর এবং একটি ভয়ংকর স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটানোর পর আবার রাজনীতি করতে গিয়ে কাউকে খুন হতে হবে—এমন বাস্তবতা কল্পনাও করা যায় না।
তিনি বলেন, “আমরা যে মূল্য দিয়ে গণতন্ত্রের পথে এগিয়েছি, সেই অভিজ্ঞতার পরও যদি রাজনৈতিক সহিংসতা চলতে থাকে, তাহলে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক ও বিপজ্জনক হবে।”
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার মাধ্যম। সেখানে ভয়, খুন ও দমন-পীড়নের কোনো জায়গা থাকতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
এনসিপির এই নেতা বলেন, “গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান দেখাতে হলে আমাদের সহিংস রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু তা কখনোই রক্তপাতের কারণ হবে না। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতিই দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের একমাত্র পথ।

আপনার মতামত লিখুন