১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে: আসিফ মাহমুদ
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও বাস্তবমুখী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা কর্মসংস্থান ও জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলব। কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ও কারিগরি কাজ শেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। তারা যেন শুধু ধর্মীয় শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং আধুনিক সমাজ ও কর্মবাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী হয়ে উঠতে পারে—সেই লক্ষ্যেই আমাদের পরিকল্পনা।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। মূলধারার শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ছে। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে ১১ দলীয় জোট একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নীতির ওপর জোর দেবে।
এনসিপি নেতা জানান, কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে এবং সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, “মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আর বঞ্চিত হতে দেব না। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থার স্বকীয়তা বজায় রেখেই আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে কওমি ও সাধারণ শিক্ষার মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা হবে: আসিফ মাহমুদ
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও বাস্তবমুখী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা কর্মসংস্থান ও জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলব। কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ও কারিগরি কাজ শেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। তারা যেন শুধু ধর্মীয় শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং আধুনিক সমাজ ও কর্মবাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী হয়ে উঠতে পারে—সেই লক্ষ্যেই আমাদের পরিকল্পনা।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। মূলধারার শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ছে। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে ১১ দলীয় জোট একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নীতির ওপর জোর দেবে।
এনসিপি নেতা জানান, কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে এবং সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, “মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আর বঞ্চিত হতে দেব না। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থার স্বকীয়তা বজায় রেখেই আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে কওমি ও সাধারণ শিক্ষার মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন