আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানের জবানবন্দি: ‘আয়নাঘর’-এর দেয়ালে আয়না ছিল কি না — সঠিক তথ্য
ঢাকা থেকে | আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান গত ২৫ জানুয়ারি সাক্ষ্য দিয়েছেন ডিজিএফআই (Directorate General of Forces Intelligence)-এর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা ‘আয়নাঘর’ সম্পর্কে। ট্রাইব্যুনালে তার দেওয়া জবানবন্দির বিবরণ অনুযায়ী:
???? দেয়ালে আয়নার কোনো উল্লেখ নেই: হাসিনুর রহমান তার বক্তব্যে ‘আয়নাঘর’-এর অবস্থান, পরিবেশ ও তার ওপর চালানো নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে কাটানো দেড় বছরের জন্য তিনি সেখানে বন্দি ছিলেন এবং ঘরটি ছিল ভয়াবহ ও নোংরা। সেখানে দেয়ালে রক্তে মোবাইল নম্বর লেখা ছিল এবং বিছানার চাদরও রক্তমাখা ছিল, কিন্তু সাক্ষ্যে তিনি কোনো আয়নার উল্লেখ করেননি।
???? আয়নাঘর-এর বাস্তব চিত্র: সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষ ছিল প্রায় ৮×১০ ফুটের, মেঝে স্যাঁতসেঁতে, সারাক্ষণ হাইভোল্টেজ বাতি জ্বালানো থাকত এবং শারীরিক নির্যাতন করা হত। দেয়ালে অনেক কিছুর মধ্যে রক্তে মোবাইল নম্বর লেখা ছিল বলে তিনি জানান, তবে সেখানে কোনো আয়নার কথা তিনি বলেননি।
???? উল্লেখযোগ্য: এই সাক্ষ্যটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত একটি মামলার অংশ, যেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যদের বিরুদ্ধে সম্মানহানি, গুম-নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলা বিচারাধীন। ট্রাইব্যুনালে তাঁর জবানবন্দি অংশ এখনও চলমান।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানের জবানবন্দি: ‘আয়নাঘর’-এর দেয়ালে আয়না ছিল কি না — সঠিক তথ্য
ঢাকা থেকে | আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান গত ২৫ জানুয়ারি সাক্ষ্য দিয়েছেন ডিজিএফআই (Directorate General of Forces Intelligence)-এর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা ‘আয়নাঘর’ সম্পর্কে। ট্রাইব্যুনালে তার দেওয়া জবানবন্দির বিবরণ অনুযায়ী:
???? দেয়ালে আয়নার কোনো উল্লেখ নেই: হাসিনুর রহমান তার বক্তব্যে ‘আয়নাঘর’-এর অবস্থান, পরিবেশ ও তার ওপর চালানো নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে কাটানো দেড় বছরের জন্য তিনি সেখানে বন্দি ছিলেন এবং ঘরটি ছিল ভয়াবহ ও নোংরা। সেখানে দেয়ালে রক্তে মোবাইল নম্বর লেখা ছিল এবং বিছানার চাদরও রক্তমাখা ছিল, কিন্তু সাক্ষ্যে তিনি কোনো আয়নার উল্লেখ করেননি।
???? আয়নাঘর-এর বাস্তব চিত্র: সাক্ষ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষ ছিল প্রায় ৮×১০ ফুটের, মেঝে স্যাঁতসেঁতে, সারাক্ষণ হাইভোল্টেজ বাতি জ্বালানো থাকত এবং শারীরিক নির্যাতন করা হত। দেয়ালে অনেক কিছুর মধ্যে রক্তে মোবাইল নম্বর লেখা ছিল বলে তিনি জানান, তবে সেখানে কোনো আয়নার কথা তিনি বলেননি।
???? উল্লেখযোগ্য: এই সাক্ষ্যটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত একটি মামলার অংশ, যেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অন্যদের বিরুদ্ধে সম্মানহানি, গুম-নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত মামলা বিচারাধীন। ট্রাইব্যুনালে তাঁর জবানবন্দি অংশ এখনও চলমান।

আপনার মতামত লিখুন