ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসি ও গণমাধ্যম পক্ষপাতিত্ব করছে — নাহিদ ইসলামের দাবি (সঠিক তথ্য সহ)
ঢাকা-১১ আসনে ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও কিছু গণমাধ্যম নির্ভরযোগ্য ও সমান পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং এক-দলীয় সুবিধা দিচ্ছে — এমন অভিযোগ তিনি করেছেন। এই অভিযোগের কিছু প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হচ্ছে:
নাহিদ ইসলামের মূল অভিযোগ
তিনি বলেছেন যে নির্বাচনী পরিবেশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে “ন্যায্য ও সমান” হিসাবে গড়ে ওঠেনি এবং কিছু পক্ষ ইসি ও প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবহার করে সুবিধা পাচ্ছে — এমন ধারণা রয়েছে।
নাহিদ আইনের প্রয়োগ ও আচরণবিধি বাস্তবায়নে বৈষম্য থাকার কথা উল্লেখ করেছেন, যেমন কিছু প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অন্যদের ক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ দেখা যায় না বলে তিনি মনে করেন।
তিনি এবং এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেছেন যে কিছু মিডিয়া সংস্থা ও বিতর্কিত বিবরণ ছড়িয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করছে এবং সেই বিষয়ে ইসি’র প্রতি নোটিশও দিয়েছেন।
???? এছাড়া স্থানীয় নির্বাচনী কাজকর্মের সময় ইসি-পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
???? কি তথ্য বা প্রমাণ এসেছে?
???? নাহিদ ইসলাম বা এনসিপির পক্ষ থেকে ইসি-এর পক্ষপাতিত্বের সরাসরি প্রমাণ বা নির্দিষ্ট উদাহরণ সরকার, ইসি বা তৃতীয় পক্ষ থেকে যাচাই করে প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগ মূলত তাদের অভিজ্ঞতা ও ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে।নির্বাচনী আচরণবিধি বা ইসি-র নীতিমালার আওতায় কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বা গণমাধ্যমে কোন রিপোর্টਿੰਗ হয়েছে — সে বিষয়ে স্বতন্ত্র বিশ্লেষণ বা ইসি-এর ব্যাখ্যা সর্বদা সবার কাছে প্রকাশিত হয় না।
নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যমে পক্ষপাতিত্ব — সামগ্রিক পরিস্থিতি
দেশের বড় বড় দলগুলোও ইসি-এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশাল দলগুলোর কাছ থেকে এমন অভিযোগ স্বাধীনভাবে ওঠার খবরও এসেছে।
বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়ন, শোকজ নোটিশ, আরপিও প্রয়োগ ইত্যাদি ইস্যুগুলো বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসি ও গণমাধ্যম পক্ষপাতিত্ব করছে — নাহিদ ইসলামের দাবি (সঠিক তথ্য সহ)
ঢাকা-১১ আসনে ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও কিছু গণমাধ্যম নির্ভরযোগ্য ও সমান পরিবেশ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং এক-দলীয় সুবিধা দিচ্ছে — এমন অভিযোগ তিনি করেছেন। এই অভিযোগের কিছু প্রেক্ষাপট নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হচ্ছে:
নাহিদ ইসলামের মূল অভিযোগ
তিনি বলেছেন যে নির্বাচনী পরিবেশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে “ন্যায্য ও সমান” হিসাবে গড়ে ওঠেনি এবং কিছু পক্ষ ইসি ও প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবহার করে সুবিধা পাচ্ছে — এমন ধারণা রয়েছে।
নাহিদ আইনের প্রয়োগ ও আচরণবিধি বাস্তবায়নে বৈষম্য থাকার কথা উল্লেখ করেছেন, যেমন কিছু প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অন্যদের ক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ দেখা যায় না বলে তিনি মনে করেন।
তিনি এবং এনসিপি নেতারা অভিযোগ করেছেন যে কিছু মিডিয়া সংস্থা ও বিতর্কিত বিবরণ ছড়িয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করছে এবং সেই বিষয়ে ইসি’র প্রতি নোটিশও দিয়েছেন।
???? এছাড়া স্থানীয় নির্বাচনী কাজকর্মের সময় ইসি-পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
???? কি তথ্য বা প্রমাণ এসেছে?
???? নাহিদ ইসলাম বা এনসিপির পক্ষ থেকে ইসি-এর পক্ষপাতিত্বের সরাসরি প্রমাণ বা নির্দিষ্ট উদাহরণ সরকার, ইসি বা তৃতীয় পক্ষ থেকে যাচাই করে প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগ মূলত তাদের অভিজ্ঞতা ও ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে।নির্বাচনী আচরণবিধি বা ইসি-র নীতিমালার আওতায় কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বা গণমাধ্যমে কোন রিপোর্টਿੰਗ হয়েছে — সে বিষয়ে স্বতন্ত্র বিশ্লেষণ বা ইসি-এর ব্যাখ্যা সর্বদা সবার কাছে প্রকাশিত হয় না।
নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যমে পক্ষপাতিত্ব — সামগ্রিক পরিস্থিতি
দেশের বড় বড় দলগুলোও ইসি-এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশাল দলগুলোর কাছ থেকে এমন অভিযোগ স্বাধীনভাবে ওঠার খবরও এসেছে।
বিশেষ করে আচরণবিধি বাস্তবায়ন, শোকজ নোটিশ, আরপিও প্রয়োগ ইত্যাদি ইস্যুগুলো বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন