আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো পক্ষ নিলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: নুর
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কোনো রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে কাজ করে, তাহলে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্ষমতাসীন বা কোনো বিশেষ দলের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়।”
তিনি আরও বলেন, অতীতের নির্বাচনগুলোতে প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা না নিলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের সংকট তৈরি হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশ ও ভোট গণনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সক্রিয় নাগরিক নজরদারির মাধ্যমে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো পক্ষ নিলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: নুর
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কোনো রাজনৈতিক পক্ষের হয়ে কাজ করে, তাহলে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্ষমতাসীন বা কোনো বিশেষ দলের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয়।”
তিনি আরও বলেন, অতীতের নির্বাচনগুলোতে প্রশাসনিক পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা না নিলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের সংকট তৈরি হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ পরিবেশ ও ভোট গণনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নিরপেক্ষ প্রশাসন ও সক্রিয় নাগরিক নজরদারির মাধ্যমে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন