মামুনের পক্ষে বিএনপির বেশির ভাগ নেতাকর্মী
পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বানচনি উত্তাপ চরমে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একসময় আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার দৃশ্যমান হচ্ছে পরিবর্তনের হাওয়া। দলীয় সমঝোতা, বিদ্রোহী প্রার্থী, বহিষ্কার, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ে শক্তির মেরুকরণ—সব মিলিয়ে নির্বাচনি পরিস্থিতি এখন বেশ টানটান।
এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মামুনকে ঘিরে দলের ভেতরে ব্যাপক সমর্থন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী প্রকাশ্যেই মামুনের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, মামুনই এই আসনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও শক্ত প্রার্থী।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় মামুন সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হচ্ছেন বলেও দাবি তাদের।
অন্যদিকে, আসনটিতে আওয়ামী লীগও তাদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া। দলটির নেতারা মাঠে সক্রিয় থাকলেও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের ঘাটতি ও বিরোধী জোটের সক্রিয়তার কারণে চাপের মুখে রয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এলাকায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, সভা-সমাবেশ এবং পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনে এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দলীয় সমীকরণ ও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফল কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের সংগঠনিক শক্তি ও ভোটারদের উপস্থিতির ওপর।
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মামুনের পক্ষে বিএনপির বেশির ভাগ নেতাকর্মী
পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বানচনি উত্তাপ চরমে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একসময় আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার দৃশ্যমান হচ্ছে পরিবর্তনের হাওয়া। দলীয় সমঝোতা, বিদ্রোহী প্রার্থী, বহিষ্কার, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও মাঠপর্যায়ে শক্তির মেরুকরণ—সব মিলিয়ে নির্বাচনি পরিস্থিতি এখন বেশ টানটান।
এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মামুনকে ঘিরে দলের ভেতরে ব্যাপক সমর্থন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী প্রকাশ্যেই মামুনের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, মামুনই এই আসনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও শক্ত প্রার্থী।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় মামুন সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হচ্ছেন বলেও দাবি তাদের।
অন্যদিকে, আসনটিতে আওয়ামী লীগও তাদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া। দলটির নেতারা মাঠে সক্রিয় থাকলেও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের ঘাটতি ও বিরোধী জোটের সক্রিয়তার কারণে চাপের মুখে রয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
এদিকে নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এলাকায় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, সভা-সমাবেশ এবং পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পটুয়াখালী-৩ আসনে এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দলীয় সমীকরণ ও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফল কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের সংগঠনিক শক্তি ও ভোটারদের উপস্থিতির ওপর।
নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন