চাঁদাবাজদের হাতেও কাজ তুলে দিতে চাই—জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের হাতেও কাজ তুলে দেওয়া হবে, তবে বেকার ভাতা দিয়ে সমাজে অলসতার সংস্কৃতি তৈরি করা হবে না।
এক বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা তোমাদের হাতেও কাজ তুলে দেব। আমরা কোনো বেকার ভাতা দেব না। বেকার ভাতা দিয়ে আমরা বেকারের মহাসমুদ্র তৈরি করতে চাই না।” তিনি দাবি করেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য, যাতে কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য না হয়।
চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “তোমরা যারা এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছ, সেদিন সম্মানের সঙ্গে তোমরা বসবাস করবা। এখন তো তোমরা অপমানজনকভাবে এই সমাজে বসবাস করো। মানুষ তোমাদের ঘৃণা করে, মানুষ তোমাদের অভিশাপ দেয়।”
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে সামাজিক পরিবর্তন ও নৈতিক পুনর্গঠনের আহ্বান স্পষ্টভাবে উঠে আসে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সমাজ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে চায় এবং এর জন্য কর্মভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাজের সুযোগ সৃষ্টি হলে মানুষ অপরাধের পথ ছেড়ে সম্মানের জীবনে ফিরতে পারবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, অপরাধ দমনের পাশাপাশি সংশোধনের সুযোগ দেওয়াও তাদের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য কর্মসংস্থান, অপরাধ দমন এবং সামাজিক মর্যাদার প্রশ্নকে সামনে আনছে, যা ভোটারদের একটি অংশের কাছে বার্তা পৌঁছানোর কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজদের হাতেও কাজ তুলে দিতে চাই—জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের হাতেও কাজ তুলে দেওয়া হবে, তবে বেকার ভাতা দিয়ে সমাজে অলসতার সংস্কৃতি তৈরি করা হবে না।
এক বক্তব্যে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা তোমাদের হাতেও কাজ তুলে দেব। আমরা কোনো বেকার ভাতা দেব না। বেকার ভাতা দিয়ে আমরা বেকারের মহাসমুদ্র তৈরি করতে চাই না।” তিনি দাবি করেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য, যাতে কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য না হয়।
চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “তোমরা যারা এসব কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছ, সেদিন সম্মানের সঙ্গে তোমরা বসবাস করবা। এখন তো তোমরা অপমানজনকভাবে এই সমাজে বসবাস করো। মানুষ তোমাদের ঘৃণা করে, মানুষ তোমাদের অভিশাপ দেয়।”
ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে সামাজিক পরিবর্তন ও নৈতিক পুনর্গঠনের আহ্বান স্পষ্টভাবে উঠে আসে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী সমাজ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে চায় এবং এর জন্য কর্মভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাজের সুযোগ সৃষ্টি হলে মানুষ অপরাধের পথ ছেড়ে সম্মানের জীবনে ফিরতে পারবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, অপরাধ দমনের পাশাপাশি সংশোধনের সুযোগ দেওয়াও তাদের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত আমিরের এই বক্তব্য কর্মসংস্থান, অপরাধ দমন এবং সামাজিক মর্যাদার প্রশ্নকে সামনে আনছে, যা ভোটারদের একটি অংশের কাছে বার্তা পৌঁছানোর কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন