ভোট প্রচারের শুরুতেই সংঘাতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক: গত তিনদিনে ৫২ সংঘর্ষ, ৩০০+ আহত, ৪৫ জন জরিমানা
দেশজুড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর মাত্র গত তিনদিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে কমপক্ষে ৫২টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে প্রায় ৩০০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
প্রচারে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, এবং এতে করে জেলা শহর-উপজেলা পর্যন্ত সংঘাতের পরিবেশ বিরাজ করছে বলে প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছেন।
ইলেকশন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সারা দেশে অন্তত ৪৫ জন প্রার্থী ও তাদের সমর্থককে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে। তবে পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পৃথকভাবে জরিমানা বা শোক্জ নোটিশসহ আরও পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
আচরণবিধি অনুযায়ী প্রচারের নির্দিষ্ট সময়, মাইক ব্যবহারের নিয়ম, জনসমাগম সীমা, পোস্টার/ব্যানার নিষেধাজ্ঞাসহ নানা বিধি রয়েছে এবং তা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড ও নির্দিষ্ট আর্থিক জরিমানা-সহ কঠোর শাস্তি হওয়ার আইনগত বিধান আছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে অভিযান পরিচালনা করছে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নিয়মিত জরিমানা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, প্রচারের শুরুতেই সংঘাত ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়ছে—এতে ভোটের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ভোট প্রচারের শুরুতেই সংঘাতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক: গত তিনদিনে ৫২ সংঘর্ষ, ৩০০+ আহত, ৪৫ জন জরিমানা
দেশজুড়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর মাত্র গত তিনদিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে কমপক্ষে ৫২টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে প্রায় ৩০০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
প্রচারে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, এবং এতে করে জেলা শহর-উপজেলা পর্যন্ত সংঘাতের পরিবেশ বিরাজ করছে বলে প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছেন।
ইলেকশন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সারা দেশে অন্তত ৪৫ জন প্রার্থী ও তাদের সমর্থককে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে। তবে পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পৃথকভাবে জরিমানা বা শোক্জ নোটিশসহ আরও পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
আচরণবিধি অনুযায়ী প্রচারের নির্দিষ্ট সময়, মাইক ব্যবহারের নিয়ম, জনসমাগম সীমা, পোস্টার/ব্যানার নিষেধাজ্ঞাসহ নানা বিধি রয়েছে এবং তা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড ও নির্দিষ্ট আর্থিক জরিমানা-সহ কঠোর শাস্তি হওয়ার আইনগত বিধান আছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে অভিযান পরিচালনা করছে এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নিয়মিত জরিমানা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, প্রচারের শুরুতেই সংঘাত ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়ছে—এতে ভোটের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সুষ্ঠু ভোট প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন