এবার চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়; এটি রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামো পরিবর্তন এবং ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের রাজনীতি থেকে পরাজিত করার নির্বাচন।
তিনি বলেন, বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা এলাকার ছাত্র-জনতা তাদের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রতিহত করেছিল। সেই আত্মত্যাগ কোনো ব্যক্তি বা দলের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ছিল না; ছিল রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফ ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গড়ার জন্য।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “আমাদের গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতনের আন্দোলন ছিল না। আমরা জীবন দিয়েছি একটি ন্যায্য রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে। যেখানে শাসনব্যবস্থা হবে জবাবদিহিমূলক, নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু, আর জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশ পরিচালনার নামে একটি গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও ঋণখেলাপিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়েছে ন্যায্যতা ও উন্নয়ন থেকে। এবারের নির্বাচন সেই ধারার অবসানের সুযোগ এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই নির্বাচন হবে জনগণের শক্তির প্রতিফলন। যারা দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি ছাত্রসমাজ ও তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের মতো এবারও গণতন্ত্র রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের ঐক্য ও সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি নতুন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
এবার চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়; এটি রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামো পরিবর্তন এবং ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের রাজনীতি থেকে পরাজিত করার নির্বাচন।
তিনি বলেন, বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা এলাকার ছাত্র-জনতা তাদের রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে প্রতিহত করেছিল। সেই আত্মত্যাগ কোনো ব্যক্তি বা দলের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ছিল না; ছিল রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ইনসাফ ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গড়ার জন্য।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “আমাদের গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতনের আন্দোলন ছিল না। আমরা জীবন দিয়েছি একটি ন্যায্য রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে। যেখানে শাসনব্যবস্থা হবে জবাবদিহিমূলক, নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু, আর জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে।”
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশ পরিচালনার নামে একটি গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও ঋণখেলাপিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়েছে ন্যায্যতা ও উন্নয়ন থেকে। এবারের নির্বাচন সেই ধারার অবসানের সুযোগ এনে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “এই নির্বাচন হবে জনগণের শক্তির প্রতিফলন। যারা দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদের রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি ছাত্রসমাজ ও তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের মতো এবারও গণতন্ত্র রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের ঐক্য ও সচেতন অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি নতুন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন