দেশের স্বার্থে ‘দিল্লি নয়, লন্ডন নয়’: রাশেদ প্রধানের সতর্কবার্তা”
দেশে আসার আগেই বিদেশে দস্তখত দেয়ার কারণে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদ প্রধান। তিনি বলেন, যেসব নেতা বিদেশের কাছে আগে দস্তখত দেয়, তাদের কাছে দেশের স্বার্থ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত নয়।
রাশেদ প্রধান আরও উল্লেখ করেন, অনেক নেতা বারবার সাধারণ সভায় বলেন, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।” কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে এর বাস্তব চিত্র ভিন্ন হয়ে দেখা দেয়; অনেক সময় তাদের মনে হয়, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে লন্ডন।” অর্থাৎ দেশীয় প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বিদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।
তিনি সতর্ক করেন, দেশের স্বার্থের সঙ্গে আপোষ করা যায় না। নেতা ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের উচিত স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য অবস্থান নেয়া, যাতে সাধারণ মানুষ আত্মবিশ্বাসী হতে পারে যে তাদের দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বিষয় সর্বাগ্রে বিবেচিত হচ্ছে।
রাশেদ প্রধান আশা প্রকাশ করেন, ভোট ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় জনগণ সতর্ক থাকবেন এবং এমন নেতাদের সমর্থন দেবেন না, যাদের বিদেশী সংযোগ দেশের স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের স্বার্থে ‘দিল্লি নয়, লন্ডন নয়’: রাশেদ প্রধানের সতর্কবার্তা”
দেশে আসার আগেই বিদেশে দস্তখত দেয়ার কারণে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাশেদ প্রধান। তিনি বলেন, যেসব নেতা বিদেশের কাছে আগে দস্তখত দেয়, তাদের কাছে দেশের স্বার্থ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত নয়।
রাশেদ প্রধান আরও উল্লেখ করেন, অনেক নেতা বারবার সাধারণ সভায় বলেন, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।” কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে এর বাস্তব চিত্র ভিন্ন হয়ে দেখা দেয়; অনেক সময় তাদের মনে হয়, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে লন্ডন।” অর্থাৎ দেশীয় প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বিদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।
তিনি সতর্ক করেন, দেশের স্বার্থের সঙ্গে আপোষ করা যায় না। নেতা ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের উচিত স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য অবস্থান নেয়া, যাতে সাধারণ মানুষ আত্মবিশ্বাসী হতে পারে যে তাদের দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বিষয় সর্বাগ্রে বিবেচিত হচ্ছে।
রাশেদ প্রধান আশা প্রকাশ করেন, ভোট ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় জনগণ সতর্ক থাকবেন এবং এমন নেতাদের সমর্থন দেবেন না, যাদের বিদেশী সংযোগ দেশের স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন