চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: ‘নিজেরা নেব না, কাউকেও নিতে দেব না’—ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশকে বৈষম্যহীন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি নিরাপদ রাষ্ট্রে রূপান্তরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াত নিজে কখনো চাঁদা নেবে না এবং কাউকেও চাঁদাবাজি করতে দেবে না।
একটি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশু থেকে শুরু করে তরুণ, যুবক-যুবতী ও বৃদ্ধ—সবাই নিরাপদে বসবাস করতে পারবে। এমন একটি দেশ চাই, যেটি নিয়ে গর্ব করে সবাই বলতে পারবে—আমি বাংলাদেশি।”
তিনি বলেন, দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। সেই লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে। নারী-পুরুষ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মূল শিকড় উপড়ে ফেলাই দলের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলে জানান তিনি।
জামায়াত আমিরের ভাষায়, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ। এসব অপকর্মের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, “যে রাজনীতি মানুষের কষ্ট বাড়ায়, সেই রাজনীতির কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা পরিষ্কার রাজনীতি করতে চাই, যেখানে ভয় নয়—ভরসাই হবে প্রধান শক্তি।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচারভিত্তিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন। এখানে আইন সবার জন্য সমান হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুযোগ থাকবে না। জনগণের জান-মাল ও সম্মান রক্ষাই হবে রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করছে। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: ‘নিজেরা নেব না, কাউকেও নিতে দেব না’—ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশকে বৈষম্যহীন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি নিরাপদ রাষ্ট্রে রূপান্তরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াত নিজে কখনো চাঁদা নেবে না এবং কাউকেও চাঁদাবাজি করতে দেবে না।
একটি জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিশু থেকে শুরু করে তরুণ, যুবক-যুবতী ও বৃদ্ধ—সবাই নিরাপদে বসবাস করতে পারবে। এমন একটি দেশ চাই, যেটি নিয়ে গর্ব করে সবাই বলতে পারবে—আমি বাংলাদেশি।”
তিনি বলেন, দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। সেই লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে। নারী-পুরুষ সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মূল শিকড় উপড়ে ফেলাই দলের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বলে জানান তিনি।
জামায়াত আমিরের ভাষায়, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ। এসব অপকর্মের কারণে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, “যে রাজনীতি মানুষের কষ্ট বাড়ায়, সেই রাজনীতির কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা পরিষ্কার রাজনীতি করতে চাই, যেখানে ভয় নয়—ভরসাই হবে প্রধান শক্তি।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচারভিত্তিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন। এখানে আইন সবার জন্য সমান হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুযোগ থাকবে না। জনগণের জান-মাল ও সম্মান রক্ষাই হবে রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতার জন্য নয়, বরং জনগণের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করছে। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন