বর্তমানে ভারতে বেআইনিভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‑র ভারতে বসে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক বিবৃতি এবং বাংলাদেশ‑ভারত সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ সরকার থেকে স্পষ্ট বার্তা এসেছে। এখানের ঘটনা ও সরকারি পরিপ্রেক্ষিত নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
???? প্রধান তথ্য
???? বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি দেওয়া বাংলাদেশ সরকার প্রত্যাশা করে না। তিনি বিবিসি ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন।
???? তৌহিদ হোসেন আরও বলেছেন, এই ধরনের সংবাদমাধ্যম বা রাজনৈতিক বক্তব্য ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে আসা প্রত্যাশা করা হয়নি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এতে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আশা করা হচ্ছে না।
???? এছাড়া বিভিন্ন বাংলাদেশি সংবাদ মাধ্যমেও বলা হয়েছে, ভারতে বসে জাতীয় রাজনীতির ওপর মন্তব্য করলে তা বাংলাদেশের স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য অন্তরায় তৈরি করতে পারে — এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের ডিপ্লোম্যাটিক সার্কেলে।
???? ব্যাকগ্রাউন্ড (প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট)
✔️ গত জুলাই ২০২৪‑এ বাংলাদেশে ব্যাপক গণবিক্ষোভ ও ছাত্র আন্দোলনের পর বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়; তখন শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়।
✔️ এরপর তিনি ভারতে রয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকার ও বিবৃতি দিয়েছেন, যেগুলো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক পর্যায়ের পক্ষ থেকে সমালোচিত হয়েছে।
কালবেলা
✔️ ঢাকা‑নয়াদিল্লি সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে এবং এই উত্তেজনার একটি কারণ হিসেবেও এই বিবৃতিগুলোকে উল্লেখ করা হচ্ছে।
???? সংক্ষেপে: বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলেও, ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিবৃতি সরকার প্রত্যাশা করে না এবং তা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে — এমন বার্তা দিল্লিকে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বর্তমানে ভারতে বেআইনিভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা‑র ভারতে বসে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক বিবৃতি এবং বাংলাদেশ‑ভারত সম্পর্ক নিয়ে বাংলাদেশ সরকার থেকে স্পষ্ট বার্তা এসেছে। এখানের ঘটনা ও সরকারি পরিপ্রেক্ষিত নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
???? প্রধান তথ্য
???? বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতে বসে শেখ হাসিনার বিবৃতি দেওয়া বাংলাদেশ সরকার প্রত্যাশা করে না। তিনি বিবিসি ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন।
???? তৌহিদ হোসেন আরও বলেছেন, এই ধরনের সংবাদমাধ্যম বা রাজনৈতিক বক্তব্য ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে আসা প্রত্যাশা করা হয়নি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে এতে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আশা করা হচ্ছে না।
???? এছাড়া বিভিন্ন বাংলাদেশি সংবাদ মাধ্যমেও বলা হয়েছে, ভারতে বসে জাতীয় রাজনীতির ওপর মন্তব্য করলে তা বাংলাদেশের স্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য অন্তরায় তৈরি করতে পারে — এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের ডিপ্লোম্যাটিক সার্কেলে।
???? ব্যাকগ্রাউন্ড (প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট)
✔️ গত জুলাই ২০২৪‑এ বাংলাদেশে ব্যাপক গণবিক্ষোভ ও ছাত্র আন্দোলনের পর বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়; তখন শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়।
✔️ এরপর তিনি ভারতে রয়েছেন এবং বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকার ও বিবৃতি দিয়েছেন, যেগুলো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক পর্যায়ের পক্ষ থেকে সমালোচিত হয়েছে।
কালবেলা
✔️ ঢাকা‑নয়াদিল্লি সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে এবং এই উত্তেজনার একটি কারণ হিসেবেও এই বিবৃতিগুলোকে উল্লেখ করা হচ্ছে।
???? সংক্ষেপে: বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলেও, ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিবৃতি সরকার প্রত্যাশা করে না এবং তা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে — এমন বার্তা দিল্লিকে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন