ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকার

এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকার
ছবি সংগ্রহীত

এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকার

ঢাকা: দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর তীব্র সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকে বাকিতে (ক্রেডিট সুবিধায়) এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

সংকটের পটভূমি

সম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, আমদানিতে কড়াকড়ি ও উচ্চ ব্যয়ের কারণে এলপিজির আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। অনেক এলাকায় সিলিন্ডার সংকট দেখা দেয়, কোথাও কোথাও সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হতে থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা, বিশেষ করে শহর ও গ্রামীণ এলাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ।

সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত

সংকট নিরসনে সরকার এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল (ইন্ডাস্ট্রিয়াল র’ ম্যাটেরিয়াল) হিসেবে বিবেচনা করে আমদানির সুযোগ সহজ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—

এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিন পর্যন্ত ক্রেডিট সুবিধা পাওয়া যাবে

আমদানিকারকরা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট বা বায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আনতে পারবেন

এলসি খোলার সময় তাৎক্ষণিকভাবে পুরো বৈদেশিক মুদ্রা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকবে না

এতে করে আমদানিকারকদের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং বাজারে দ্রুত এলপিজির সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

বাজারে প্রভাব পড়বে যেভাবে

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে—

আমদানি ব্যয় কমবে

বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে

ধীরে ধীরে দাম স্থিতিশীল হবে

কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা কমবে

একই সঙ্গে সরকার এলপিজি আমদানিতে ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর বিষয়েও আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা

এলপিজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি ক্রেডিট সুবিধা থাকায় এখন তারা নিয়মিতভাবে জ্বালানি আমদানি করতে পারবেন। এতে ভোক্তা পর্যায়ে সংকট কমবে এবং বাজার স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে না

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬


এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকার

প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

এলপিজির চরম সংকট: বাকিতে আমদানির সুযোগ দিল সরকার

ঢাকা: দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর তীব্র সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকে বাকিতে (ক্রেডিট সুবিধায়) এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

সংকটের পটভূমি

সম্প্রতি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, আমদানিতে কড়াকড়ি ও উচ্চ ব্যয়ের কারণে এলপিজির আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। অনেক এলাকায় সিলিন্ডার সংকট দেখা দেয়, কোথাও কোথাও সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হতে থাকে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা, বিশেষ করে শহর ও গ্রামীণ এলাকার মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ।

সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত

সংকট নিরসনে সরকার এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল (ইন্ডাস্ট্রিয়াল র’ ম্যাটেরিয়াল) হিসেবে বিবেচনা করে আমদানির সুযোগ সহজ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—

এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিন পর্যন্ত ক্রেডিট সুবিধা পাওয়া যাবে

আমদানিকারকরা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট বা বায়ার্স ক্রেডিটে এলপিজি আনতে পারবেন

এলসি খোলার সময় তাৎক্ষণিকভাবে পুরো বৈদেশিক মুদ্রা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকবে না

এতে করে আমদানিকারকদের ওপর আর্থিক চাপ কমবে এবং বাজারে দ্রুত এলপিজির সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

বাজারে প্রভাব পড়বে যেভাবে

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে—

আমদানি ব্যয় কমবে

বাজারে এলপিজির সরবরাহ বাড়বে

ধীরে ধীরে দাম স্থিতিশীল হবে

কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা কমবে

একই সঙ্গে সরকার এলপিজি আমদানিতে ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর বিষয়েও আলোচনা করছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা

এলপিজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি ক্রেডিট সুবিধা থাকায় এখন তারা নিয়মিতভাবে জ্বালানি আমদানি করতে পারবেন। এতে ভোক্তা পর্যায়ে সংকট কমবে এবং বাজার স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে না


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল