প্রেমিকের ওপর অভিমান করে পায়রা সেতু থেকে ঝাঁপ, কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে পায়রা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তানজিলা নামের এক কলেজছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তানজিলা পায়রা সেতুতে এসে হঠাৎ নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে তারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। উদ্ধার শেষে তানজিলাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রেমঘটিত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অভিমান থেকেই এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
দুমকি থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কলেজছাত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া এবং পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রেমিকের ওপর অভিমান করে পায়রা সেতু থেকে ঝাঁপ, কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে পায়রা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তানজিলা নামের এক কলেজছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তানজিলা পায়রা সেতুতে এসে হঠাৎ নদীতে ঝাঁপ দেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে তারা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। উদ্ধার শেষে তানজিলাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রেমঘটিত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অভিমান থেকেই এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
দুমকি থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কলেজছাত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া এবং পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন