ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, সারাদেশে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ঘোষিত ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে সারাদেশে আবারও স্বাভাবিকভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সঙ্গে বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সংগঠন।
বৈঠক শেষে সংগঠনের নেতারা জানান, আলোচনার মাধ্যমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ায় আপাতত ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
এর আগে কমিশন নির্ধারিত দামের সঙ্গে কমিশন ও পরিবহন ব্যয় সমন্বয়ের দাবিতে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তাদের অভিযোগ ছিল—
নির্ধারিত কমিশনে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে
মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক অভিযানে হয়রানি
পরিবহন ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়া
এই দাবিগুলো মানা না হলে এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় গ্যাস সংকট দেখা দেয়।
বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়—
নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ নেই
কমিশন ও চার্জ বিষয়টি আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্বিবেচনা করা হবে
প্রশাসনিক অভিযান সংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে
এই আশ্বাসের পরই ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন
ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর আজ থেকেই বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, ধীরে ধীরে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
ভোক্তাদের আশা, নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট আর তৈরি হবে না
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে দেশের জ্বালানি খাতে অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধানের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, সারাদেশে এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ঘোষিত ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে সারাদেশে আবারও স্বাভাবিকভাবে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সঙ্গে বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সংগঠন।
বৈঠক শেষে সংগঠনের নেতারা জানান, আলোচনার মাধ্যমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আশ্বাস পাওয়ায় আপাতত ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে সাধারণ গ্রাহক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
এর আগে কমিশন নির্ধারিত দামের সঙ্গে কমিশন ও পরিবহন ব্যয় সমন্বয়ের দাবিতে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তাদের অভিযোগ ছিল—
নির্ধারিত কমিশনে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে
মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক অভিযানে হয়রানি
পরিবহন ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়া
এই দাবিগুলো মানা না হলে এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় গ্যাস সংকট দেখা দেয়।
বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়—
নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ নেই
কমিশন ও চার্জ বিষয়টি আইনগত কাঠামোর মধ্যে পুনর্বিবেচনা করা হবে
প্রশাসনিক অভিযান সংক্রান্ত বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে
এই আশ্বাসের পরই ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন
ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর আজ থেকেই বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, ধীরে ধীরে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
ভোক্তাদের আশা, নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া নিশ্চিত হবে এবং কৃত্রিম সংকট আর তৈরি হবে না
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে দেশের জ্বালানি খাতে অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী সমাধানের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন