ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

প্রকাশ্যে গুলি ।এনসিপি-র খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার

কে মারতে চেয়েছিল এনসিপি নেতাকে নেপথ্যের ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস**

কে মারতে চেয়েছিল এনসিপি নেতাকে নেপথ্যের ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস**

২২শে ডিসেম্বর, ২০২৫। খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকা। ভরদুপুরে, যখন চারিদিকে মানুষের ব্যস্ত ছোটাছুটি, ঠিক তখনই ঘটল এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। প্রকাশ্য দিবালোকে, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে, দুর্বৃত্তদের গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-র খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার। তাকে যখন গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সারাদেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন—কারা এই হামলাকারী

কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, এই হামলার পেছনে কে? এটা কি নিছকই কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর এবং পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? আজকের এই ভিডিওতে আমরা কোনো উপসংহারে পৌঁছানোর চেষ্টা করব না, বরং তথ্যের গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করব—কারা এই হামলার নেপথ্যে থাকতে পারে এবং তাদের আসল উদ্দেশ্য কী? চলুন, সেই ভয়ঙ্কর সত্যটা জানার চেষ্টা করি।

**(সেকশন ১: ঘটনাপ্রবাহ—কী ঘটেছিল সেদিন?)**

ঘটনার আকস্মিকতাটা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো। ২২শে ডিসেম্বর, দুপুরের ঠিক আগে, আনুমানিক সোয়া এগারোটা বা পৌনে বারোটার দিকে, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং দলের শ্রমিক সংগঠন 'শ্রমিক শক্তি'-র কেন্দ্রীয় সংগঠক, ৪০ বছর বয়সী মোতালেব শিকদার সোনাডাঙ্গা এলাকায় ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ আর পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বলছে, হামলাকারীরা খুব দ্রুততার সাথে তাদের মিশন শেষ করে। তারা মোতালেব শিকদারকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।

রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং জানায় যে, দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করতে আর ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। কিন্তু এই আনুষ্ঠানিক বিবরণের বাইরেও কিছু বিষয় আমাদের ভাবাচ্ছে।

ভেবে দেখুন, হামলার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে খুলনা মহানগরীর একটি ব্যস্ত এলাকাকে। আর হামলার ধরনটাও দেখুন, এটা কোনো ছিনতাই বা ব্যক্তিগত শত্রুতার এলোপাথাড়ি হামলা বলে মনে হচ্ছে না। টার্গেট ছিলেন একজনই এবং তাকে শেষ করে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এই পেশাদারি এবং নৃশংসতা ঘটনাটিকে সাধারণ অপরাধের তালিকা থেকে বের করে এনে এক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার দিকেই আঙুল তুলছে।

**(সেকশন ২: কারা এই মোতালেব শিকদার এবং কী তাদের দল এনসিপি?)**

এই ষড়যন্ত্রের জাল বুঝতে হলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে, মোতালেব শিকদার কে এবং তার দল এনসিপি আসলে কাদের প্রতিনিধিত্ব করে। এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টি একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি, যার জন্ম হয়েছে আলোচিত 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' থেকে। দলটি বর্তমানে 'গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট' নামক একটি জোটেরও অংশ, যেখানে তাদের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি। এই জোটের একজন মুখপাত্র হিসেবে নাহিদ ইসলাম বেশ পরিচিত।

অর্থাৎ, এনসিপি প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরের একটি শক্তি, যারা দেশের শাসনব্যবস্থায় সংস্কারের কথা বলছে। মোতালেব শিকদার ছিলেন খুলনায় এই নতুন ধারার রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ। তিনি শুধু দলের বিভাগীয় প্রধানই ছিলেন না, বরং শ্রমিক শক্তির একজন কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবেও কাজ করছিলেন। হামলার কিছুদিন আগে থেকেই তিনি খুলনায় একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানা যায়। তার এই রাজনৈতিক উত্থান এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম কি কোনো পুরোনো বা প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল? প্রশ্নটা কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।

**(সেকশন ৩: একই প্যাটার্নে বারবার হামলা: এটা কি শুধুই কাকতালীয়?)**

মোতালেব শিকদারের ওপর এই হামলাকে একা বা বিচ্ছিন্নভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, মাত্র দশ দিন আগে, ১২ই ডিসেম্বর নাগাদ, খোদ রাজধানীতে প্রায় একই রকম আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলি করা হয়েছিল 'ইনকিলাব মঞ্চ'-এর মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে। হাদিও ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া একজন নতুন প্রজন্মের পরিচিত মুখ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ই ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে দেশের দুটো গুরুত্বপূর্ণ শহরে দুজন নতুন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর একই কায়দায় হত্যার চেষ্টা—এটাকে কি শুধুই কাকতালীয় বলা চলে? নাকি এর পেছনে একটি নির্দিষ্ট নকশা বা প্যাটার্ন রয়েছে? দুটি ঘটনার মধ্যেই বেশ কিছু মিল রয়েছে। দুজনই নতুন রাজনৈতিক ধারার প্রতিনিধি। দুজনকেই প্রকাশ্য দিবালোকে টার্গেট করা হয়েছে। এবং দুজনের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য ছিল প্রাণঘাতী হামলা চালানো।

এই প্যাটার্ন থেকে একটি ভয়ঙ্কর সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। একটি মহল কি টার্গেট করে করে নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে নেতৃত্বশূন্য করে দেওয়ার চেষ্টা করছে? তারা কি চাইছে যে, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন ধারার রাজনীতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করে দিতে?

**(সেকশন ৪: নেপথ্যের কারিগর কারা? সম্ভাব্য তিনটি ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব)**

এই হামলার পিছনে কারা থাকতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আমরা যদি সম্ভাব্য কারণগুলো বিশ্লেষণ করি, তাহলে মূলত তিনটি তত্ত্ব সামনে আসে।

**তত্ত্ব এক: পুরোনো রাজনৈতিক শক্তির পুনরাগমন?**

সবচেয়ে জোরালো যে সন্দেহটি উঠে আসছে, তা হলো—এই হামলার পিছনে সেইসব শক্তি জড়িত, যারা জুলাই অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতা বা প্রতিপত্তি হারিয়েছে। নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং তাদের সংস্কারের ডাক পুরোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগীদের জন্য একটি বড় হুমকি। তারা কি ভয় পাচ্ছে যে, আগামী নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, তাহলে এনসিপির মতো দলগুলো তাদের ক্ষমতার সমীকরণকে বদলে দিতে পারে?

এই তত্ত্ব অনুসারে, ওসমান হাদি এবং মোতালেব শিকদারের মতো নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে তারা মূলত কয়েকটি বার্তা দিতে চাইছে। প্রথমত, নতুন নেতাদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া, যাতে তারা রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ায়। দ্বিতীয়ত, সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের আতঙ্কিত করা, যাতে তারা মাঠে নামার সাহস না পায়। এবং তৃতীয়ত, দেশজুড়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করা, যাতে পুরোনো শক্তি আবার অন্য কোনো উপায়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর যেভাবে নানা অরাজকতা তৈরির চেষ্টা হয়েছিল, তা এই তৃতীয় উদ্দেশ্যটির দিকেই ইঙ্গিত করে।

**তত্ত্ব দুই: অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা জোটের ভেতরের বিশ্বাসঘাতকতা?**

যেকোনো নতুন রাজনৈতিক আন্দোলন বা জোট যখন দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়, তখন তার ভেতরেও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বা আদর্শগত বিরোধ তৈরি হতে পারে। গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের ভেতরে বিভিন্ন দলের অবস্থান বা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কি কোনো সূক্ষ্ম বিরোধ চলছিল? মোতালেব শিকদারের সাংগঠনিক দক্ষতা বা খুলনায় তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব কি দলের বা জোটের অন্য কোনো অংশের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল?

যদিও এই তত্ত্বের পক্ষে এখনো কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ নেই, কিন্তু রাজনীতির ইতিহাসে অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের উদাহরণ কম নয়। অনেক সময় বাইরের শত্রুর চেয়ে ঘরের শত্রুই বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তবে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতুর মতো নেতারা যেভাবে দ্রুত এই ঘটনার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন এবং এটিকে একটি রাজনৈতিক হামলা হিসেবেই দেখছেন, তাতে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সম্ভাবনা আপাতত কম বলেই মনে হচ্ছে।

**তত্ত্ব তিন: নির্বাচন বানচাল এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার তৃতীয় পক্ষ?**

তৃতীয় একটি সম্ভাবনা হলো, এই হামলার পিছনে এমন কোনো শক্তি রয়েছে, যাদের মূল উদ্দেশ্য কোনো একটি দলকে সমর্থন করা নয়, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটাকেই ধ্বংস করে দেওয়া। তারা চায় দেশে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হোক, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাস এবং সংঘাত বাড়ুক এবং আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটুক।

এই ধরনের 'তৃতীয় পক্ষ' প্রায়শই দেশি-বিদেশি নানা শক্তির ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করে। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যেমন কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে, তা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র এবং সন্ত্রাসী অর্থায়নের দিকেই ইঙ্গিত করে। সিআইডি জানাচ্ছে যে, মূল অভিযুক্ত ও তার সহযোগীদের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। এই বিপুল অর্থ কোথা থেকে এলো? কারা এই অর্থায়ন করছে? ওসমান হাদি বা মোতালেব শিকদারের মতো ব্যক্তিদের হত্যা করার জন্য এত টাকা বিনিয়োগ করার মতো স্বার্থ কাদের থাকতে পারে? এই তৃতীয় পক্ষ হয়তো চায়, একটি চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে এবং একটি অগণতান্ত্রিক শক্তির ক্ষমতা দখলের পথ খুলে দিতে।

**(কল-টু-অ্যাকশন)**

আমরা তিনটি সম্ভাব্য তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করলাম। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাওয়া তৃতীয় কোনো শক্তি। এতগুলো সম্ভাবনার মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি যুক্তিযুক্ত বলে আপনার মনে হয়? নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও বড় কোনো শক্তি, যা এখনও পর্দার আড়ালে? এই বিষয়ে আপনার কী মত? আমি অনুরোধ করব, আপনার বিশ্লেষণ এবং মতামত আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানান। আলোচনাটি চালিয়ে যাওয়া খুব জরুরি।

এবং আপনি যদি এই ধরনের গভীর বিশ্লেষণমূলক ভিডিও আরও দেখতে চান, তাহলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না এবং এই ভিডিওটি শেয়ার করে সত্য অনুসন্ধানের এই যাত্রায় আমাদের সঙ্গী হোন।

**(শেষ কথা)**

খুলনায় মোতালেব শিকদারের ওপর হামলা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়। এটি জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার ওপর হামলা। এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ওপর একটি আঘাত। ওসমান হাদি থেকে মোতালেব শিকদার—এই ধারাবাহিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে, ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যন্ত সংগঠিত এবং শক্তিশালী।

পুলিশের তদন্ত চলছে, হয়তো একদিন হামলাকারীরা ধরা পড়বে। ডিবি প্রধান যেমন ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলেছেন যে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে, আমরা আশা করি মোতালেব শিকদারের ক্ষেত্রেও প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। কিন্তু শুধু বন্দুকধারী সন্ত্রাসীকে ধরলেই হবে না, খুঁজে বের করতে হবে তাদের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারীদের, সেই ভয়ঙ্কর মুখগুলোকে, যারা টাকার জোরে এবং ক্ষমতার লোভে দেশকে আবারও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

আগামী দিনে এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো এই চাপ মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারে কি না, এবং রাষ্ট্র কি তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হবে কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়। উত্তরটা হয়তো সময়ই বলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬


কে মারতে চেয়েছিল এনসিপি নেতাকে নেপথ্যের ভয়ঙ্কর তথ্য ফাঁস**

প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

২২শে ডিসেম্বর, ২০২৫। খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকা। ভরদুপুরে, যখন চারিদিকে মানুষের ব্যস্ত ছোটাছুটি, ঠিক তখনই ঘটল এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। প্রকাশ্য দিবালোকে, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে, দুর্বৃত্তদের গুলিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি-র খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার। তাকে যখন গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সারাদেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন—কারা এই হামলাকারী



কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, এই হামলার পেছনে কে? এটা কি নিছকই কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর এবং পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? আজকের এই ভিডিওতে আমরা কোনো উপসংহারে পৌঁছানোর চেষ্টা করব না, বরং তথ্যের গভীরে গিয়ে বিশ্লেষণ করব—কারা এই হামলার নেপথ্যে থাকতে পারে এবং তাদের আসল উদ্দেশ্য কী? চলুন, সেই ভয়ঙ্কর সত্যটা জানার চেষ্টা করি।


**(সেকশন ১: ঘটনাপ্রবাহ—কী ঘটেছিল সেদিন?)**


ঘটনার আকস্মিকতাটা সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো। ২২শে ডিসেম্বর, দুপুরের ঠিক আগে, আনুমানিক সোয়া এগারোটা বা পৌনে বারোটার দিকে, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং দলের শ্রমিক সংগঠন 'শ্রমিক শক্তি'-র কেন্দ্রীয় সংগঠক, ৪০ বছর বয়সী মোতালেব শিকদার সোনাডাঙ্গা এলাকায় ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ আর পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বলছে, হামলাকারীরা খুব দ্রুততার সাথে তাদের মিশন শেষ করে। তারা মোতালেব শিকদারকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং মুহূর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়।


রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং জানায় যে, দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করতে আর ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। কিন্তু এই আনুষ্ঠানিক বিবরণের বাইরেও কিছু বিষয় আমাদের ভাবাচ্ছে।


ভেবে দেখুন, হামলার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে খুলনা মহানগরীর একটি ব্যস্ত এলাকাকে। আর হামলার ধরনটাও দেখুন, এটা কোনো ছিনতাই বা ব্যক্তিগত শত্রুতার এলোপাথাড়ি হামলা বলে মনে হচ্ছে না। টার্গেট ছিলেন একজনই এবং তাকে শেষ করে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এই পেশাদারি এবং নৃশংসতা ঘটনাটিকে সাধারণ অপরাধের তালিকা থেকে বের করে এনে এক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার দিকেই আঙুল তুলছে।


**(সেকশন ২: কারা এই মোতালেব শিকদার এবং কী তাদের দল এনসিপি?)**


এই ষড়যন্ত্রের জাল বুঝতে হলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে, মোতালেব শিকদার কে এবং তার দল এনসিপি আসলে কাদের প্রতিনিধিত্ব করে। এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টি একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি, যার জন্ম হয়েছে আলোচিত 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' থেকে। দলটি বর্তমানে 'গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট' নামক একটি জোটেরও অংশ, যেখানে তাদের সঙ্গী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি। এই জোটের একজন মুখপাত্র হিসেবে নাহিদ ইসলাম বেশ পরিচিত।


অর্থাৎ, এনসিপি প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরের একটি শক্তি, যারা দেশের শাসনব্যবস্থায় সংস্কারের কথা বলছে। মোতালেব শিকদার ছিলেন খুলনায় এই নতুন ধারার রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ। তিনি শুধু দলের বিভাগীয় প্রধানই ছিলেন না, বরং শ্রমিক শক্তির একজন কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবেও কাজ করছিলেন। হামলার কিছুদিন আগে থেকেই তিনি খুলনায় একটি বিভাগীয় শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানা যায়। তার এই রাজনৈতিক উত্থান এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম কি কোনো পুরোনো বা প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে অস্বস্তিতে ফেলেছিল? প্রশ্নটা কিন্তু এড়িয়ে যাওয়ার মতো নয়।


**(সেকশন ৩: একই প্যাটার্নে বারবার হামলা: এটা কি শুধুই কাকতালীয়?)**


মোতালেব শিকদারের ওপর এই হামলাকে একা বা বিচ্ছিন্নভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, মাত্র দশ দিন আগে, ১২ই ডিসেম্বর নাগাদ, খোদ রাজধানীতে প্রায় একই রকম আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলি করা হয়েছিল 'ইনকিলাব মঞ্চ'-এর মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে। হাদিও ছিলেন জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া একজন নতুন প্রজন্মের পরিচিত মুখ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ই ডিসেম্বর তিনি মারা যান।


মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে দেশের দুটো গুরুত্বপূর্ণ শহরে দুজন নতুন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর একই কায়দায় হত্যার চেষ্টা—এটাকে কি শুধুই কাকতালীয় বলা চলে? নাকি এর পেছনে একটি নির্দিষ্ট নকশা বা প্যাটার্ন রয়েছে? দুটি ঘটনার মধ্যেই বেশ কিছু মিল রয়েছে। দুজনই নতুন রাজনৈতিক ধারার প্রতিনিধি। দুজনকেই প্রকাশ্য দিবালোকে টার্গেট করা হয়েছে। এবং দুজনের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য ছিল প্রাণঘাতী হামলা চালানো।


এই প্যাটার্ন থেকে একটি ভয়ঙ্কর সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে। একটি মহল কি টার্গেট করে করে নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে নেতৃত্বশূন্য করে দেওয়ার চেষ্টা করছে? তারা কি চাইছে যে, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন ধারার রাজনীতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করে দিতে?


**(সেকশন ৪: নেপথ্যের কারিগর কারা? সম্ভাব্য তিনটি ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব)**


এই হামলার পিছনে কারা থাকতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আমরা যদি সম্ভাব্য কারণগুলো বিশ্লেষণ করি, তাহলে মূলত তিনটি তত্ত্ব সামনে আসে।


**তত্ত্ব এক: পুরোনো রাজনৈতিক শক্তির পুনরাগমন?**


সবচেয়ে জোরালো যে সন্দেহটি উঠে আসছে, তা হলো—এই হামলার পিছনে সেইসব শক্তি জড়িত, যারা জুলাই অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতা বা প্রতিপত্তি হারিয়েছে। নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং তাদের সংস্কারের ডাক পুরোনো ব্যবস্থার সুবিধাভোগীদের জন্য একটি বড় হুমকি। তারা কি ভয় পাচ্ছে যে, আগামী নির্বাচন যদি অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, তাহলে এনসিপির মতো দলগুলো তাদের ক্ষমতার সমীকরণকে বদলে দিতে পারে?


এই তত্ত্ব অনুসারে, ওসমান হাদি এবং মোতালেব শিকদারের মতো নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে তারা মূলত কয়েকটি বার্তা দিতে চাইছে। প্রথমত, নতুন নেতাদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া, যাতে তারা রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ায়। দ্বিতীয়ত, সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের আতঙ্কিত করা, যাতে তারা মাঠে নামার সাহস না পায়। এবং তৃতীয়ত, দেশজুড়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করা, যাতে পুরোনো শক্তি আবার অন্য কোনো উপায়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর যেভাবে নানা অরাজকতা তৈরির চেষ্টা হয়েছিল, তা এই তৃতীয় উদ্দেশ্যটির দিকেই ইঙ্গিত করে।


**তত্ত্ব দুই: অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা জোটের ভেতরের বিশ্বাসঘাতকতা?**


যেকোনো নতুন রাজনৈতিক আন্দোলন বা জোট যখন দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়, তখন তার ভেতরেও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বা আদর্শগত বিরোধ তৈরি হতে পারে। গণতান্ত্রিক সংস্কার জোটের ভেতরে বিভিন্ন দলের অবস্থান বা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে কি কোনো সূক্ষ্ম বিরোধ চলছিল? মোতালেব শিকদারের সাংগঠনিক দক্ষতা বা খুলনায় তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব কি দলের বা জোটের অন্য কোনো অংশের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল?


যদিও এই তত্ত্বের পক্ষে এখনো কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ নেই, কিন্তু রাজনীতির ইতিহাসে অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের উদাহরণ কম নয়। অনেক সময় বাইরের শত্রুর চেয়ে ঘরের শত্রুই বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তবে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতুর মতো নেতারা যেভাবে দ্রুত এই ঘটনার কথা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন এবং এটিকে একটি রাজনৈতিক হামলা হিসেবেই দেখছেন, তাতে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সম্ভাবনা আপাতত কম বলেই মনে হচ্ছে।


**তত্ত্ব তিন: নির্বাচন বানচাল এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার তৃতীয় পক্ষ?**


তৃতীয় একটি সম্ভাবনা হলো, এই হামলার পিছনে এমন কোনো শক্তি রয়েছে, যাদের মূল উদ্দেশ্য কোনো একটি দলকে সমর্থন করা নয়, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটাকেই ধ্বংস করে দেওয়া। তারা চায় দেশে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হোক, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাস এবং সংঘাত বাড়ুক এবং আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটুক।


এই ধরনের 'তৃতীয় পক্ষ' প্রায়শই দেশি-বিদেশি নানা শক্তির ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করে। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যেমন কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে, তা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র এবং সন্ত্রাসী অর্থায়নের দিকেই ইঙ্গিত করে। সিআইডি জানাচ্ছে যে, মূল অভিযুক্ত ও তার সহযোগীদের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। এই বিপুল অর্থ কোথা থেকে এলো? কারা এই অর্থায়ন করছে? ওসমান হাদি বা মোতালেব শিকদারের মতো ব্যক্তিদের হত্যা করার জন্য এত টাকা বিনিয়োগ করার মতো স্বার্থ কাদের থাকতে পারে? এই তৃতীয় পক্ষ হয়তো চায়, একটি চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে এবং একটি অগণতান্ত্রিক শক্তির ক্ষমতা দখলের পথ খুলে দিতে।


**(কল-টু-অ্যাকশন)**


আমরা তিনটি সম্ভাব্য তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করলাম। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, অভ্যন্তরীণ কোন্দল অথবা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাওয়া তৃতীয় কোনো শক্তি। এতগুলো সম্ভাবনার মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি যুক্তিযুক্ত বলে আপনার মনে হয়? নাকি এর পেছনে রয়েছে আরও বড় কোনো শক্তি, যা এখনও পর্দার আড়ালে? এই বিষয়ে আপনার কী মত? আমি অনুরোধ করব, আপনার বিশ্লেষণ এবং মতামত আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানান। আলোচনাটি চালিয়ে যাওয়া খুব জরুরি।


এবং আপনি যদি এই ধরনের গভীর বিশ্লেষণমূলক ভিডিও আরও দেখতে চান, তাহলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না এবং এই ভিডিওটি শেয়ার করে সত্য অনুসন্ধানের এই যাত্রায় আমাদের সঙ্গী হোন।


**(শেষ কথা)**


খুলনায় মোতালেব শিকদারের ওপর হামলা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়। এটি জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার ওপর হামলা। এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ওপর একটি আঘাত। ওসমান হাদি থেকে মোতালেব শিকদার—এই ধারাবাহিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে, ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যন্ত সংগঠিত এবং শক্তিশালী।


পুলিশের তদন্ত চলছে, হয়তো একদিন হামলাকারীরা ধরা পড়বে। ডিবি প্রধান যেমন ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলেছেন যে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে, আমরা আশা করি মোতালেব শিকদারের ক্ষেত্রেও প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। কিন্তু শুধু বন্দুকধারী সন্ত্রাসীকে ধরলেই হবে না, খুঁজে বের করতে হবে তাদের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারীদের, সেই ভয়ঙ্কর মুখগুলোকে, যারা টাকার জোরে এবং ক্ষমতার লোভে দেশকে আবারও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।


আগামী দিনে এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো এই চাপ মোকাবিলা করে টিকে থাকতে পারে কি না, এবং রাষ্ট্র কি তার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হবে কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়। উত্তরটা হয়তো সময়ই বলে দেবে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল