মাদরাসার সহপাঠীদের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পেলেন হান্নান মাসউদনির্বাচনী প্রচারণায় ব্যক্তিগত পরিচয় ও শিক্ষাজীবনের সহপাঠীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার নজির সামনে আসছে। কিছুদিন আগে বন্ধু ও সহপাঠীদের কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা অনুদান পাওয়ার কথা জানান প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। এবার একই ধরনের সহায়তা পেয়েছেন আরেক প্রার্থী হান্নান মাসউদ।[TECHTARANGA-POST:1648]হান্নান মাসউদ জানিয়েছেন, তার মাদরাসাজীবনের সহপাঠীরা সম্মিলিতভাবে নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য তাকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই অর্থ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; বরং ব্যক্তিগত আস্থা, বন্ধুত্ব ও দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।প্রার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, অনুদান পাওয়া অর্থ নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম ও ব্যয়বিধি অনুসরণ করেই ব্যয় করা হবে। অর্থের উৎস ও ব্যবহার সংক্রান্ত সব তথ্য যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।[TECHTARANGA-POST:1647]রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারণায় সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে অনুদান পাওয়া নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রার্থীর প্রকাশ্যে অর্থপ্রাপ্তির তথ্য সামনে আসায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এতে একদিকে স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠে এসেছে, অন্যদিকে ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কনির্ভর রাজনীতির বাস্তব চিত্রও ফুটে উঠছে।নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা বৈধ উৎস থেকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে অনুদান গ্রহণ করতে পারেন। তবে অর্থের উৎস ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।আসন্ন নির্বাচন ঘিরে এ ধরনের অনুদানপ্রাপ্তির তথ্য আরও প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।