ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

সক্ষমতার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান

২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান

ইরান দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জ্বালানি খাত পুনরুদ্ধারের চেষ্টা জোরদার করেছে। দেশটির জ্বালানি উপমন্ত্রী মোহাম্মদ সাদেক আজিমিনফার জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত তেল শোধনাগার ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আগের সক্ষমতার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

সাম্প্রতিক সংঘাত ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে ইরান-এর জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। এতে তেল শোধন, সরবরাহ এবং অভ্যন্তরীণ বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এখন সরকার দ্রুত মেরামত, পুনর্গঠন এবং বিকল্প সরবরাহ চেইন সক্রিয় করার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাথমিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারগুলো চালু করা এবং জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সচল করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্তত ৭০–৮০ শতাংশ সক্ষমতা অর্জন করা গেলে দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা সফল হলে শুধু দেশের ভেতরের জ্বালানি সরবরাহই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও ইরান আবার ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরান দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের জ্বালানি খাত পুনরুদ্ধারের চেষ্টা জোরদার করেছে। দেশটির জ্বালানি উপমন্ত্রী মোহাম্মদ সাদেক আজিমিনফার জানিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত তেল শোধনাগার ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আগের সক্ষমতার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

সাম্প্রতিক সংঘাত ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে ইরান-এর জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। এতে তেল শোধন, সরবরাহ এবং অভ্যন্তরীণ বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এখন সরকার দ্রুত মেরামত, পুনর্গঠন এবং বিকল্প সরবরাহ চেইন সক্রিয় করার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাথমিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শোধনাগারগুলো চালু করা এবং জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা সচল করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্তত ৭০–৮০ শতাংশ সক্ষমতা অর্জন করা গেলে দেশটির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা সফল হলে শুধু দেশের ভেতরের জ্বালানি সরবরাহই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও ইরান আবার ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল