মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, স্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্য শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রর নেতাদের উদ্দেশে বলেন, যুদ্ধবিরতি ছিল বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘সর্বোত্তম সম্ভাব্য’ সিদ্ধান্ত। তবে এটি কার্যকর ও টেকসই করতে হলে লেবাননকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। তার মতে, এই পদক্ষেপই শান্তিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এবং সংঘাত পুনরায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাবে।
ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বরং বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যুগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন, আঞ্চলিক নীতিমালা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, এসব বিষয় একসঙ্গে আলোচনার আওতায় আনা না হলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। ম্যাক্রোঁ মনে করেন, সমন্বিত ও বিস্তৃত চুক্তির মাধ্যমেই অঞ্চলটিতে শক্তিশালী ও টেকসই শান্তির ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, স্থায়ী ও বিশ্বাসযোগ্য শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা অপরিহার্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রর নেতাদের উদ্দেশে বলেন, যুদ্ধবিরতি ছিল বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘সর্বোত্তম সম্ভাব্য’ সিদ্ধান্ত। তবে এটি কার্যকর ও টেকসই করতে হলে লেবাননকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। তার মতে, এই পদক্ষেপই শান্তিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এবং সংঘাত পুনরায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমাবে।
ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, যেকোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বরং বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যুগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন, আঞ্চলিক নীতিমালা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, এসব বিষয় একসঙ্গে আলোচনার আওতায় আনা না হলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে। ম্যাক্রোঁ মনে করেন, সমন্বিত ও বিস্তৃত চুক্তির মাধ্যমেই অঞ্চলটিতে শক্তিশালী ও টেকসই শান্তির ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন