গণভোটের রায় অস্বীকারের মধ্য দিয়ে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সেই সুযোগেই স্বৈরাচারী প্রবণতা শক্তিশালী হয়। তার মতে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু গণভোট বা জনগণের সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা হলে তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। সেখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান হওয়া উচিত সংলাপ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, চাপ বা অস্বীকারের মাধ্যমে নয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পারস্পরিক সহনশীলতা জরুরি। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জনগণের প্রত্যাশা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করা। আলোচনায় বিভিন্ন বক্তা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতন্ত্রের চর্চা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের পথ থেকে সরে গেলে রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের রায় মেনে চলা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। ????️ তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে সংলাপ ও সমঝোতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হলে ভবিষ্যতে সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। ????????

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
গণভোটের রায় অস্বীকারের মধ্য দিয়ে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদের পথ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সেই সুযোগেই স্বৈরাচারী প্রবণতা শক্তিশালী হয়। তার মতে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু গণভোট বা জনগণের সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করা হলে তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। সেখানে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের সমাধান হওয়া উচিত সংলাপ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, চাপ বা অস্বীকারের মাধ্যমে নয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পারস্পরিক সহনশীলতা জরুরি। তারা মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জনগণের প্রত্যাশা ও মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করা। আলোচনায় বিভিন্ন বক্তা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় গণতন্ত্রের চর্চা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের পথ থেকে সরে গেলে রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের রায় মেনে চলা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। ????️ তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে সংলাপ ও সমঝোতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হলে ভবিষ্যতে সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। ????????

আপনার মতামত লিখুন