ট্রাম্পের চরম হুমকির পরই জয়শঙ্করকে ফোন করলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর তীব্র হুমকির পরপরই কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে Iran। মঙ্গলবারের মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “মঙ্গলবার হবে ইরানের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু দিবস—সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হবে।” একইসঙ্গে তিনি Hormuz Strait খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কঠোর ভাষায় সতর্ক করেন।
এই হুমকির কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Subrahmanyam Jaishankar-কে ফোন করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi। The Times of India-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনালাপে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জয়শঙ্কর জানান, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ফোন পেয়েছেন এবং বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষাপটে এই ফোনালাপকে আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে উত্তেজনা প্রশমনে বিভিন্ন দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের চরম হুমকির পরই জয়শঙ্করকে ফোন করলেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর তীব্র হুমকির পরপরই কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে Iran। মঙ্গলবারের মধ্যে সমঝোতা না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “মঙ্গলবার হবে ইরানের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু দিবস—সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হবে।” একইসঙ্গে তিনি Hormuz Strait খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কঠোর ভাষায় সতর্ক করেন।
এই হুমকির কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Subrahmanyam Jaishankar-কে ফোন করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi। The Times of India-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনালাপে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জয়শঙ্কর জানান, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে ফোন পেয়েছেন এবং বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষাপটে এই ফোনালাপকে আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে উত্তেজনা প্রশমনে বিভিন্ন দেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন