যে কারণে ইরানের ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশি ৬ জাহাজের ৫টির চালান বাতিল
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরান সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন পেলেও বাংলাদেশের জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটির চালান শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পেট্রোবাংলা–এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কী ঘটেছে
বাংলাদেশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ছয়টি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দেয় ইরান। কিন্তু অনুমোদন পাওয়ার পরই আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা পাঁচটি জাহাজের জ্বালানি চালান বাতিল করে দেয়। ফলে অনুমতি থাকলেও বাস্তবে জাহাজগুলো আর জ্বালানি নিতে পারেনি।
কেন বাতিল হলো
কর্মকর্তারা জানান, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। ওই তালিকা তৈরির সময় বৈশ্বিক দুই বড় সরবরাহকারী—
QatarEnergy
OQ Trading
—এর ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণার প্রভাব
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর মার্চের শুরুতেই এই দুই প্রতিষ্ঠান সরবরাহ স্থগিত করে। ফলে তারা নির্ধারিত জাহাজগুলোতে জ্বালানি দিতে পারেনি। এ কারণেই পাঁচটি জাহাজের চালান বাতিল হয়ে যায়।
পরিস্থিতির প্রভাব
জ্বালানি আমদানি পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে
বিকল্প সরবরাহের খোঁজে কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ ????
নতুন সময়সূচি ও চুক্তি পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে ????
সব মিলিয়ে, ইরানের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুরোনো তথ্যের ভিত্তিতে তালিকা পাঠানো এবং সরবরাহকারীদের আগেই সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত—এই দুই কারণেই বাংলাদেশি ছয় জাহাজের মধ্যে পাঁচটির চালান বাতিল হয়েছে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
যে কারণে ইরানের ছাড়পত্র পাওয়া বাংলাদেশি ৬ জাহাজের ৫টির চালান বাতিল
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরান সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন পেলেও বাংলাদেশের জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটির চালান শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পেট্রোবাংলা–এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কী ঘটেছে
বাংলাদেশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ছয়টি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দেয় ইরান। কিন্তু অনুমোদন পাওয়ার পরই আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা পাঁচটি জাহাজের জ্বালানি চালান বাতিল করে দেয়। ফলে অনুমতি থাকলেও বাস্তবে জাহাজগুলো আর জ্বালানি নিতে পারেনি।
কেন বাতিল হলো
কর্মকর্তারা জানান, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। ওই তালিকা তৈরির সময় বৈশ্বিক দুই বড় সরবরাহকারী—
QatarEnergy
OQ Trading
—এর ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণার প্রভাব
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর মার্চের শুরুতেই এই দুই প্রতিষ্ঠান সরবরাহ স্থগিত করে। ফলে তারা নির্ধারিত জাহাজগুলোতে জ্বালানি দিতে পারেনি। এ কারণেই পাঁচটি জাহাজের চালান বাতিল হয়ে যায়।
পরিস্থিতির প্রভাব
জ্বালানি আমদানি পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে
বিকল্প সরবরাহের খোঁজে কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ ????
নতুন সময়সূচি ও চুক্তি পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে ????
সব মিলিয়ে, ইরানের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুরোনো তথ্যের ভিত্তিতে তালিকা পাঠানো এবং সরবরাহকারীদের আগেই সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত—এই দুই কারণেই বাংলাদেশি ছয় জাহাজের মধ্যে পাঁচটির চালান বাতিল হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন