⚡ সারা দেশে রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের দোকানপাট
বাণিজ্য বিতান
শপিংমল
রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে।
যেসব সেবা এই সিদ্ধান্তের বাইরে
সংগঠনটি জানিয়েছে, কিছু জরুরি সেবা এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। যেমন—
হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
ফার্মেসি
জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকানকাঁ
চাবাজার
কেন এই সিদ্ধান্ত
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সাশ্রয় নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ে দোকান বন্ধ হলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো আশা করছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাই এ সিদ্ধান্ত মেনে চলবে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
⚡ সারা দেশে রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের দোকানপাট
বাণিজ্য বিতান
শপিংমল
রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে।
যেসব সেবা এই সিদ্ধান্তের বাইরে
সংগঠনটি জানিয়েছে, কিছু জরুরি সেবা এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। যেমন—
হোটেল ও রেস্টুরেন্ট
ফার্মেসি
জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকানকাঁ
চাবাজার
কেন এই সিদ্ধান্ত
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সাশ্রয় নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ে দোকান বন্ধ হলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ হ্রাস পাবে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো আশা করছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাই এ সিদ্ধান্ত মেনে চলবে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করবে।

আপনার মতামত লিখুন