পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের দায়ে শামীম হাসান খান নামের এক ব্যবসায়ীকে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার বসতবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিতরণে অনিয়ম প্রতিরোধে চলমান কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় সেনা ক্যাম্প সদস্যদের সহযোগিতায় পৌর শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় শামীম হাসান খানের বাড়িতে অভিযান চালায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ‘আমিরুল অয়েল সাপ্লাইয়ার্স’-এর স্বত্বাধিকারী শামীম হাসান খান তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তেলের সংকট দেখালেও বাসার নিচে গোপনে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত করে রেখেছিলেন। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মোট ২০৭৬ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে ১৬৮৩ লিটার ডিজেল, ১২০ লিটার পেট্রোল, ২৬৩ লিটার কেরোসিন এবং ১০ লিটার অকটেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ২৬৫ টাকা।
জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকারি মূল্যে বিক্রির শর্তে মঠবাড়ীয়া উপজেলার একমাত্র ফিলিং স্টেশনের মালিকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ পরদিন ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত শামীম হাসান খানকে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর জন্য মঠবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জ্বালানি তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের দায়ে শামীম হাসান খান নামের এক ব্যবসায়ীকে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার বসতবাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিতরণে অনিয়ম প্রতিরোধে চলমান কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় সেনা ক্যাম্প সদস্যদের সহযোগিতায় পৌর শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় শামীম হাসান খানের বাড়িতে অভিযান চালায়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ‘আমিরুল অয়েল সাপ্লাইয়ার্স’-এর স্বত্বাধিকারী শামীম হাসান খান তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তেলের সংকট দেখালেও বাসার নিচে গোপনে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত করে রেখেছিলেন। বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মোট ২০৭৬ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে ১৬৮৩ লিটার ডিজেল, ১২০ লিটার পেট্রোল, ২৬৩ লিটার কেরোসিন এবং ১০ লিটার অকটেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ২৬৫ টাকা।
জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকারি মূল্যে বিক্রির শর্তে মঠবাড়ীয়া উপজেলার একমাত্র ফিলিং স্টেশনের মালিকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ পরদিন ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত শামীম হাসান খানকে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর জন্য মঠবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জ্বালানি তেল মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন