২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ৪৩ হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
লেবাননের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে মোট ৪৩টি হামলা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
গোষ্ঠীটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মধ্যে ২৬টি চালানো হয়েছে লেবাননের ভেতরে অবস্থানরত ইসরাইলি বাহিনীর ওপর। বাকি ১৭টি হামলা হয়েছে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে।
হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, হামলাগুলোর লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলি বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা। এর মধ্যে রয়েছে চারটি সামরিক ঘাঁটি, আটটি সামরিক স্থাপনা, একটি ব্যারাক এবং সীমান্ত এলাকায় নতুন স্থাপিত চারটি চৌকি। গোষ্ঠীটি বলছে, এসব হামলা তারা বিভিন্ন ধরনের রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে চালিয়েছে, যদিও এ দাবির স্বতন্ত্র যাচাই পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল–লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলার দাবি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরেই হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটে আসছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর উত্তর সীমান্তেও সংঘাতের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিজবুল্লাহ হলো ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী, যার রাজনৈতিক ও সামরিক উভয় কাঠামো রয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইল হিজবুল্লাহকে বড় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালায়।
তবে হিজবুল্লাহর এই ৪৩টি হামলার দাবির বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংঘাতের পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের দাবি–প্রতিদাবি ভিন্ন হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বর্তমানে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর ওপর ৪৩ হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
লেবাননের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে মোট ৪৩টি হামলা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
গোষ্ঠীটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলার মধ্যে ২৬টি চালানো হয়েছে লেবাননের ভেতরে অবস্থানরত ইসরাইলি বাহিনীর ওপর। বাকি ১৭টি হামলা হয়েছে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে।
হিজবুল্লাহ আরও দাবি করেছে, হামলাগুলোর লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলি বাহিনীর বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা। এর মধ্যে রয়েছে চারটি সামরিক ঘাঁটি, আটটি সামরিক স্থাপনা, একটি ব্যারাক এবং সীমান্ত এলাকায় নতুন স্থাপিত চারটি চৌকি। গোষ্ঠীটি বলছে, এসব হামলা তারা বিভিন্ন ধরনের রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে চালিয়েছে, যদিও এ দাবির স্বতন্ত্র যাচাই পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল–লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলার দাবি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরেই হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটে আসছে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর উত্তর সীমান্তেও সংঘাতের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিজবুল্লাহ হলো ইরান-সমর্থিত একটি শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী, যার রাজনৈতিক ও সামরিক উভয় কাঠামো রয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইল হিজবুল্লাহকে বড় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এবং সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান চালায়।
তবে হিজবুল্লাহর এই ৪৩টি হামলার দাবির বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংঘাতের পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের দাবি–প্রতিদাবি ভিন্ন হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বর্তমানে ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন