নিভে গেল এক স্বপ্নবাজ বিতার্কিকের প্রাণ — রাইয়ানসহ একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা-এর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ানসহ একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন।
রাইয়ান ছিলেন একজন স্বপ্নবাজ তরুণ, মেধাবী শিক্ষার্থী ও সক্রিয় সংগঠক। মা, বোন ও ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। তাদের জীবন থেমে যায় পদ্মার পানিতে, অপূর্ণ থেকে যায় অসংখ্য স্বপ্ন।
আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বিতর্কচর্চায় সক্রিয় ছিলেন এবং একজন দক্ষ বিতার্কিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।
স্কুল জীবন থেকেই জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন রাইয়ান। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও যুক্ত ছিলেন বিতর্ক সংগঠনের সঙ্গে। যুক্তি, বুদ্ধি ও সচেতনতার আলো ছড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার স্বপ্ন ছিল তার।
তার সহপাঠী ও পরিচিতরা জানান, রাইয়ান ছিলেন প্রাণবন্ত, দায়িত্বশীল এবং সমাজমনস্ক একজন তরুণ। বিতর্কের মাধ্যমে তরুণদের সচেতন করা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণ নয়, নিভিয়ে দিয়েছে সম্ভাবনাময় এক ভবিষ্যৎও। একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক। উদ্ধার অভিযান ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই দুর্ঘটনা আবারও নৌ-নিরাপত্তা ও ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্বজন হারানো পরিবারগুলো এখন শুধু জানতে চায়— এমন দুর্ঘটনা আর কতবার ঘটলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
নিভে গেল এক স্বপ্নবাজ বিতার্কিকের প্রাণ — রাইয়ানসহ একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা-এর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ানসহ একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন।
রাইয়ান ছিলেন একজন স্বপ্নবাজ তরুণ, মেধাবী শিক্ষার্থী ও সক্রিয় সংগঠক। মা, বোন ও ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। তাদের জীবন থেমে যায় পদ্মার পানিতে, অপূর্ণ থেকে যায় অসংখ্য স্বপ্ন।
আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বিতর্কচর্চায় সক্রিয় ছিলেন এবং একজন দক্ষ বিতার্কিক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।
স্কুল জীবন থেকেই জাতীয় পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন রাইয়ান। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেও যুক্ত ছিলেন বিতর্ক সংগঠনের সঙ্গে। যুক্তি, বুদ্ধি ও সচেতনতার আলো ছড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার স্বপ্ন ছিল তার।
তার সহপাঠী ও পরিচিতরা জানান, রাইয়ান ছিলেন প্রাণবন্ত, দায়িত্বশীল এবং সমাজমনস্ক একজন তরুণ। বিতর্কের মাধ্যমে তরুণদের সচেতন করা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণ নয়, নিভিয়ে দিয়েছে সম্ভাবনাময় এক ভবিষ্যৎও। একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক। উদ্ধার অভিযান ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই দুর্ঘটনা আবারও নৌ-নিরাপত্তা ও ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্বজন হারানো পরিবারগুলো এখন শুধু জানতে চায়— এমন দুর্ঘটনা আর কতবার ঘটলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

আপনার মতামত লিখুন