নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইরান দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর কার্যালয়ের কাছাকাছি এলাকায়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম Press TV জানায়, মঙ্গলবার ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এই বৃহৎ আক্রমণ পরিচালনা করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও সামরিক স্থাপনা।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে পশ্চিম তীরসহ একাধিক অঞ্চলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে যেতে দেখা গেছে। কিছু ফুটেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার দৃশ্যও ধরা পড়ে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।
তবে এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এই দাবি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি হবে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের অন্যতম বড় উদাহরণ, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইরান দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর কার্যালয়ের কাছাকাছি এলাকায়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম Press TV জানায়, মঙ্গলবার ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এই বৃহৎ আক্রমণ পরিচালনা করে। তাদের দাবি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও সামরিক স্থাপনা।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে পশ্চিম তীরসহ একাধিক অঞ্চলের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ছুটে যেতে দেখা গেছে। কিছু ফুটেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার দৃশ্যও ধরা পড়ে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।
তবে এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এই দাবি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি হবে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের অন্যতম বড় উদাহরণ, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে

আপনার মতামত লিখুন