ইরানের হামলায় শেষ হয়ে গেল তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি
দিশেহারা ট্রাম্পের সৈন্যরা
"একের পর এক শক্তিশালী মিসাইল হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাতের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরান। প্রতিটি রাতেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইসরায়েলে মিসাইল হামলা চালাচ্ছে। এবার একসাথে আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইন— এই তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। আর এই হামলার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছে মার্কিন সৈন্যরা।
এসব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পাশাপাশি ইসরায়েলের দিকে ৩০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। আর এগুলোর ওজন সবগুলো এক টনের উপরে বলে জানিয়েছে ইরানের আইআরজিসি। এই হামলার পর ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ অ্যারোস্পেস ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রাতের এমন হামলায় আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালাচ্ছে ইসরায়েলিরা।
ইরান এখন শুধু ইসরায়েলেই হামলা করছে না, তারা তিন দেশের মার্কিন সেনাদের উপরেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করে এই হামলা চালাচ্ছে তেহরান। যদিও এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরানের। তারপরও ইরানের পাল্টা হামলায় নাকানিচুবানি খাচ্ছে নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই যুদ্ধে ইরানকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলে ট্রাম্পকে কঠিন শর্ত দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মোস্তফা খামেনি। আর এরপর থেকেই শক্তিশালী মিসাইল ছুঁড়ে ইসরায়েল ও মার্কিন সেনাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরানের বিপ্লবী বাহিনী।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের নৌবাহিনী দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তারা একাধিক দফায় হামলা চালিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংশিরি জানান, ইরানি বাহিনী মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি মজুদ রাখার ট্যাংক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইরানের সাথে ট্রাম্প যখন কোনোভাবেই পেরে উঠছে না, ঠিক সেই মুহূর্তে যুদ্ধে অংশ নিতে আড়াই হাজার (২৫০০) মার্কিন স্থল সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এসব স্থল সেনাদের নিয়েও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরানের মোস্তফা খামেনি।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের হামলায় শেষ হয়ে গেল তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটি
দিশেহারা ট্রাম্পের সৈন্যরা
"একের পর এক শক্তিশালী মিসাইল হামলা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রাতের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরান। প্রতিটি রাতেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইসরায়েলে মিসাইল হামলা চালাচ্ছে। এবার একসাথে আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইন— এই তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। আর এই হামলার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছে মার্কিন সৈন্যরা।
এসব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পাশাপাশি ইসরায়েলের দিকে ৩০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। আর এগুলোর ওজন সবগুলো এক টনের উপরে বলে জানিয়েছে ইরানের আইআরজিসি। এই হামলার পর ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ অ্যারোস্পেস ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। রাতের এমন হামলায় আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালাচ্ছে ইসরায়েলিরা।
ইরান এখন শুধু ইসরায়েলেই হামলা করছে না, তারা তিন দেশের মার্কিন সেনাদের উপরেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিকে নিশানা করে এই হামলা চালাচ্ছে তেহরান। যদিও এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরানের। তারপরও ইরানের পাল্টা হামলায় নাকানিচুবানি খাচ্ছে নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই যুদ্ধে ইরানকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলে ট্রাম্পকে কঠিন শর্ত দিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মোস্তফা খামেনি। আর এরপর থেকেই শক্তিশালী মিসাইল ছুঁড়ে ইসরায়েল ও মার্কিন সেনাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে ইরানের বিপ্লবী বাহিনী।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের নৌবাহিনী দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে তারা একাধিক দফায় হামলা চালিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংশিরি জানান, ইরানি বাহিনী মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি মজুদ রাখার ট্যাংক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইরানের সাথে ট্রাম্প যখন কোনোভাবেই পেরে উঠছে না, ঠিক সেই মুহূর্তে যুদ্ধে অংশ নিতে আড়াই হাজার (২৫০০) মার্কিন স্থল সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এসব স্থল সেনাদের নিয়েও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরানের মোস্তফা খামেনি।

আপনার মতামত লিখুন