সরকারি অফিস সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার নিয়ম থাকলেও, চাঁদপুরের মতলব উত্তরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এর চরম ব্যত্যয় ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৫ মার্চ রোববার দুপুর ১টা বেজে গেলেও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনকে নিজ কর্মস্থলে দেখা যায়নি তার কার্যালয় তালাবদ্ধ দেখা যায়। ফলে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার প্রয়োজনে আসা অসহায় ও দুস্থ মানুষজন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের অন্যান্য কার্যক্রম চললেও সমাজসেবা অফিসারের কক্ষটি তালাবদ্ধ আছে এবং অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরা তার অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও যদি কর্মকর্তার দেখা না পাওয়া যায়, তবে তাদের এই সরকারি সেবা পাওয়ার আশা করাটা বিড়ম্বনা মাত্র।
উপজেলার আবুরকান্দী গ্রামের সলেমান বলেন, সকালে এসেছি এখন ১২টা বাজে এখনও স্যারে আসে নাই। পৌরসভার পাঁচগাছিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৭৫) বলেন, বেইন্না বালা আইছি এতক্ষণেও অফিসারে না থাহায় বইয়া রইছি। আযানও দিয়া লাইছে এহন যামুগা। টরকী গ্রামের হাসান আলী বলেন, বুধবারে এসেছি, বৃহস্পতিবারও এসেছি, আজকে রোববার আসলাম সমাজ সেবা অফিসারের রুমে দরজা তালা লাগানোই থাকে।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনের মুঠোফোন 01726-668089 নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত তদারকির অভাবেই এমন অনিয়ম চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং দায়িত্বহীন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সরকারি অফিস সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার নিয়ম থাকলেও, চাঁদপুরের মতলব উত্তরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এর চরম ব্যত্যয় ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৫ মার্চ রোববার দুপুর ১টা বেজে গেলেও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনকে নিজ কর্মস্থলে দেখা যায়নি তার কার্যালয় তালাবদ্ধ দেখা যায়। ফলে বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার প্রয়োজনে আসা অসহায় ও দুস্থ মানুষজন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের অন্যান্য কার্যক্রম চললেও সমাজসেবা অফিসারের কক্ষটি তালাবদ্ধ আছে এবং অফিসের অন্যান্য কর্মচারীরা তার অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও যদি কর্মকর্তার দেখা না পাওয়া যায়, তবে তাদের এই সরকারি সেবা পাওয়ার আশা করাটা বিড়ম্বনা মাত্র।
উপজেলার আবুরকান্দী গ্রামের সলেমান বলেন, সকালে এসেছি এখন ১২টা বাজে এখনও স্যারে আসে নাই। পৌরসভার পাঁচগাছিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৭৫) বলেন, বেইন্না বালা আইছি এতক্ষণেও অফিসারে না থাহায় বইয়া রইছি। আযানও দিয়া লাইছে এহন যামুগা। টরকী গ্রামের হাসান আলী বলেন, বুধবারে এসেছি, বৃহস্পতিবারও এসেছি, আজকে রোববার আসলাম সমাজ সেবা অফিসারের রুমে দরজা তালা লাগানোই থাকে।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল আল মামুনের মুঠোফোন 01726-668089 নাম্বারে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি এবং নিয়মিত তদারকির অভাবেই এমন অনিয়ম চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং দায়িত্বহীন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন