ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সাচ্ছারপাড়ার নূরধন মিয়ার কাছে পাওনা টাকা দাবি করেন মধ্যপাড়ার আরস মিয়া। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
তবে ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ব্যাপক মারামারি। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ব্যবহার করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে সাচ্ছারপাড়ার নূরধন মিয়ার কাছে পাওনা টাকা দাবি করেন মধ্যপাড়ার আরস মিয়া। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয় এবং গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
তবে ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার সকালে আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ব্যাপক মারামারি। সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ব্যবহার করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন