মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান সংকট নিরসনে দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
এর আগে সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে একই আহ্বান তুলে ধরেন তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে; তাই দ্রুত সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বিকেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ করা এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একার হাতে নেই। এটি বহুপাক্ষিক ও জটিল একটি সংকট, যেখানে একাধিক রাষ্ট্র সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত। ফলে সমাধানও হতে হবে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ ধরনের যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত অত্যন্ত কঠিন। জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহে সম্ভাব্য প্রভাব এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আকাশসীমা বন্ধ এবং পরিবহন ব্যাহত হওয়ার প্রভাব বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আন্তর্জাতিক আইন ও সংলাপনির্ভর সমাধানের পক্ষে। যে কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে সামরিক পথ নয়, বরং আলোচনাই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধান এনে দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান এই সংকট ঘিরে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক উদ্যোগই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার। সরকার মনে করছে, দ্রুত সংলাপ শুরু না হলে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ছাড়াও সরাসরি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর পড়বে।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান সংকট নিরসনে দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
এর আগে সকালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে একই আহ্বান তুলে ধরেন তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, সামরিক পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে; তাই দ্রুত সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বিকেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ করা এখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একার হাতে নেই। এটি বহুপাক্ষিক ও জটিল একটি সংকট, যেখানে একাধিক রাষ্ট্র সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত। ফলে সমাধানও হতে হবে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এ ধরনের যুদ্ধের অর্থনৈতিক অভিঘাত অত্যন্ত কঠিন। জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স প্রবাহে সম্ভাব্য প্রভাব এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আকাশসীমা বন্ধ এবং পরিবহন ব্যাহত হওয়ার প্রভাব বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আন্তর্জাতিক আইন ও সংলাপনির্ভর সমাধানের পক্ষে। যে কোনো সংঘাতের ক্ষেত্রে সামরিক পথ নয়, বরং আলোচনাই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধান এনে দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান এই সংকট ঘিরে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট—যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক উদ্যোগই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার। সরকার মনে করছে, দ্রুত সংলাপ শুরু না হলে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ছাড়াও সরাসরি উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন