ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে ভালো কাজ করতে না পারেন, সে জন্য “ইসলামের শত্রুরা” নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল-এর উদ্যোগে আয়োজিত হিফযুল কুরআন ও কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে একটি মহল তা ভালোভাবে নেয় না। তিনি দাবি করেন, তারেক রহমান ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার ও আলেম সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখছেন বলেই তাকে নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
বক্তব্যে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তারা সবসময় আলেম-ওলামাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে সহায়ক ভূমিকা রেখেছেন। একই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে কুরআনের শিক্ষা অনুসরণের বিকল্প নেই। ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কুরআনের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
নিজ বক্তব্যে তিনি নিজেকে “জনগণের কর্মচারী” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমি মন্ত্রী নই, আপনারাই আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। জনগণ যে নির্দেশ দেবেন, আমি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।” জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ছাত্রদল নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে কুরআন তেলাওয়াত ও হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে ভালো কাজ করতে না পারেন, সে জন্য “ইসলামের শত্রুরা” নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল-এর উদ্যোগে আয়োজিত হিফযুল কুরআন ও কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী শিক্ষার প্রসারে কাজ করলে একটি মহল তা ভালোভাবে নেয় না। তিনি দাবি করেন, তারেক রহমান ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তার ও আলেম সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখছেন বলেই তাকে নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
বক্তব্যে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তারা সবসময় আলেম-ওলামাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে সহায়ক ভূমিকা রেখেছেন। একই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে কুরআনের শিক্ষা অনুসরণের বিকল্প নেই। ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কুরআনের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
নিজ বক্তব্যে তিনি নিজেকে “জনগণের কর্মচারী” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমি মন্ত্রী নই, আপনারাই আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। জনগণ যে নির্দেশ দেবেন, আমি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।” জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ছাত্রদল নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে কুরআন তেলাওয়াত ও হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন