সরকারি কাজে অবহেলা সহ্য করা হবে না: আরিফুল হক চৌধুরী
শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দেশ বাংলাদেশ—এ কথা উল্লেখ করে সরকারি কাজে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের সেবা দিতে এখনো পুরোনো কাগুজে পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীলতা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সময়োপযোগী, হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তর জরুরি।
বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর শ্রম ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনলাইনভিত্তিক সেবায় জোর
মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা চালু হলে শ্রমিকরা সহজে এবং কম সময়ে সরকারি সহায়তা পাবেন। এতে দুর্নীতি ও হয়রানিও কমবে। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ই-সেবা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন।
৩২টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ
সেবার মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের ৩২টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের সুবিধাভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দ্রুত প্রস্তুতের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তার মতে, সঠিক তথ্যভিত্তিক ডাটাবেইস তৈরি হলে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে এবং পরিকল্পনা গ্রহণেও সুবিধা হবে।
উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা
সভায় শ্রম অধিদপ্তরের আইটি সেক্টরসহ চলমান সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার গতি ও মান দুটোই বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বা অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
সরকারি কাজে অবহেলা সহ্য করা হবে না: আরিফুল হক চৌধুরী
শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের দেশ বাংলাদেশ—এ কথা উল্লেখ করে সরকারি কাজে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের সেবা দিতে এখনো পুরোনো কাগুজে পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীলতা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সময়োপযোগী, হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থায় রূপান্তর জরুরি।
বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর শ্রম ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনলাইনভিত্তিক সেবায় জোর
মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবা চালু হলে শ্রমিকরা সহজে এবং কম সময়ে সরকারি সহায়তা পাবেন। এতে দুর্নীতি ও হয়রানিও কমবে। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত ই-সেবা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেন।
৩২টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ
সেবার মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের ৩২টি শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের সুবিধাভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দ্রুত প্রস্তুতের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তার মতে, সঠিক তথ্যভিত্তিক ডাটাবেইস তৈরি হলে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে এবং পরিকল্পনা গ্রহণেও সুবিধা হবে।
উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা
সভায় শ্রম অধিদপ্তরের আইটি সেক্টরসহ চলমান সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার গতি ও মান দুটোই বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বা অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন