রাজধানীর বগুড়া নয়, এবার ঢাকার কড়াইল বস্তি থেকেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে এবং সরকারি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে এই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, কড়াইল বস্তি থেকে কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রতীকী ও বাস্তবিক—দুই দিক বিবেচনায়। রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ বস্তি হিসেবে কড়াইল এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিম্নআয়ের পরিবার বসবাস করে। তাদের কাছে সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগের সূচনা সেখানে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত উপকারভোগী পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ভর্তুকি, খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা সহজে গ্রহণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উপকারভোগীদের সুনির্দিষ্ট তথ্যভান্ডার তৈরির মাধ্যমে অনিয়ম ও তালিকাভুক্তির জটিলতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য বস্তি ও নিম্নআয়ের এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
দারিদ্র্য হ্রাস ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে সরকারের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমকে দেখা হচ্ছে। এখন নজর উদ্বোধনের পর কত দ্রুত ও কতটা কার্যকরভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যায়, তার

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর বগুড়া নয়, এবার ঢাকার কড়াইল বস্তি থেকেই শুরু হচ্ছে বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে এবং সরকারি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে এই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, কড়াইল বস্তি থেকে কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রতীকী ও বাস্তবিক—দুই দিক বিবেচনায়। রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ বস্তি হিসেবে কড়াইল এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিম্নআয়ের পরিবার বসবাস করে। তাদের কাছে সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগের সূচনা সেখানে।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত উপকারভোগী পরিবারগুলো বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ভর্তুকি, খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা সহজে গ্রহণ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উপকারভোগীদের সুনির্দিষ্ট তথ্যভান্ডার তৈরির মাধ্যমে অনিয়ম ও তালিকাভুক্তির জটিলতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে রাজধানীর অন্যান্য বস্তি ও নিম্নআয়ের এলাকাগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
দারিদ্র্য হ্রাস ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে সরকারের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমকে দেখা হচ্ছে। এখন নজর উদ্বোধনের পর কত দ্রুত ও কতটা কার্যকরভাবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা যায়, তার

আপনার মতামত লিখুন