মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের কাছে অবস্থিত অস্ট্রেলীয় সেনাদের ব্যবহৃত বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, ইরান এ হামলা চালিয়েছে।
কাতার, ইরাক, সিরিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, দুবাইয়ের নিকটে অবস্থিত Al Minhad Air Base–এ ইরানি বাহিনী হামলা চালায়। এই ঘাঁটিটি United Arab Emirates–এ অবস্থিত এবং সেখানে অস্ট্রেলিয়ার সেনারা মোতায়েন রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Richard Marles বলেন, সংঘাতের প্রথম রাতেই আল মিনহাদ ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় কোনো অস্ট্রেলীয় সেনা হতাহত হননি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মোতায়েন প্রায় ১০০ অস্ট্রেলীয় সেনার প্রত্যেকেই নিরাপদ আছেন এবং তাদের উপস্থিতি যাচাই করা হয়েছে।
একই সময়ে ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী Erbil–এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা অবস্থান করছিলেন এমন একটি হোটেলে ড্রোন হামলার দাবি করেছে একটি ইরাকি গোষ্ঠী। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মাত্রা পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি এই উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তবে নতুন করে হামলা বা পাল্টা হামলার আশঙ্কা পুরো অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের কাছে অবস্থিত অস্ট্রেলীয় সেনাদের ব্যবহৃত বিমানঘাঁটিতে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, ইরান এ হামলা চালিয়েছে।
কাতার, ইরাক, সিরিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, দুবাইয়ের নিকটে অবস্থিত Al Minhad Air Base–এ ইরানি বাহিনী হামলা চালায়। এই ঘাঁটিটি United Arab Emirates–এ অবস্থিত এবং সেখানে অস্ট্রেলিয়ার সেনারা মোতায়েন রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী Richard Marles বলেন, সংঘাতের প্রথম রাতেই আল মিনহাদ ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তবে হামলায় কোনো অস্ট্রেলীয় সেনা হতাহত হননি। তিনি নিশ্চিত করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মোতায়েন প্রায় ১০০ অস্ট্রেলীয় সেনার প্রত্যেকেই নিরাপদ আছেন এবং তাদের উপস্থিতি যাচাই করা হয়েছে।
একই সময়ে ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী Erbil–এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা অবস্থান করছিলেন এমন একটি হোটেলে ড্রোন হামলার দাবি করেছে একটি ইরাকি গোষ্ঠী। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মাত্রা পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি এই উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তবে নতুন করে হামলা বা পাল্টা হামলার আশঙ্কা পুরো অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

আপনার মতামত লিখুন