রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো অমর একুশে বইমেলা–২০২৬। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনের চার মিনিট পর, বিকেল ৩টা ১৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে ফিতা কেটে মেলার দ্বার উন্মুক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সাহিত্যিক, প্রকাশক ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।
উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারসহ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। তিনি নতুন প্রকাশিত বই সম্পর্কে খোঁজখবর নেন, প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পাঠকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বইমেলায় সাধারণ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান দেখা যায়।
এর আগে একই দিনে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে তিনি ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সাহিত্যচর্চায় তাদের অবদানের প্রশংসা করেন।
এ বছর কথাসাহিত্যে নাসিমা আনিস, প্রবন্ধ–গদ্যে সৈয়দ আজিজুল হক, শিশুসাহিত্যে হাসান হাফিজ, অনুবাদে আলী আহমদ, গবেষণায় মুস্তাফা মজিদ ও ইসরাইল খান, বিজ্ঞানে ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে মঈদুল হাসান পুরস্কার অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি। বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার আয়োজন নয়—এটি জাতির মনন ও সংস্কৃতির প্রতিফলন। তিনি নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং লেখক–প্রকাশকদের সৃজনশীল উদ্যোগকে উৎসাহিত করার কথা বলেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও মাসব্যাপী চলবে অমর একুশে বইমেলা। নতুন বই প্রকাশ, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরো প্রাঙ্গণজুড়ে থাকবে উৎসবের আবহ। বইপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হওয়া এই আয়োজন ঘিরে প্রকাশক ও লেখকদের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উদ্দীপনা।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হলো অমর একুশে বইমেলা–২০২৬। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনের চার মিনিট পর, বিকেল ৩টা ১৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে ফিতা কেটে মেলার দ্বার উন্মুক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সাহিত্যিক, প্রকাশক ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।
উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারসহ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। তিনি নতুন প্রকাশিত বই সম্পর্কে খোঁজখবর নেন, প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পাঠকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বইমেলায় সাধারণ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান দেখা যায়।
এর আগে একই দিনে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে তিনি ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সাহিত্যচর্চায় তাদের অবদানের প্রশংসা করেন।
এ বছর কথাসাহিত্যে নাসিমা আনিস, প্রবন্ধ–গদ্যে সৈয়দ আজিজুল হক, শিশুসাহিত্যে হাসান হাফিজ, অনুবাদে আলী আহমদ, গবেষণায় মুস্তাফা মজিদ ও ইসরাইল খান, বিজ্ঞানে ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে মঈদুল হাসান পুরস্কার অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি। বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার আয়োজন নয়—এটি জাতির মনন ও সংস্কৃতির প্রতিফলন। তিনি নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং লেখক–প্রকাশকদের সৃজনশীল উদ্যোগকে উৎসাহিত করার কথা বলেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও মাসব্যাপী চলবে অমর একুশে বইমেলা। নতুন বই প্রকাশ, আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরো প্রাঙ্গণজুড়ে থাকবে উৎসবের আবহ। বইপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হওয়া এই আয়োজন ঘিরে প্রকাশক ও লেখকদের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক উদ্দীপনা।

আপনার মতামত লিখুন