জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশের আর্থিক খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করেছে বিএনপি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের অন্যতম খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ Ahsan H. Mansur-কে Bangladesh Bank-এর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল। তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক অনিয়ম কমানো এবং ব্যাংকগুলোর ওপর তদারকি জোরদারের উদ্যোগ নেয় বলে দাবি করেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, হঠাৎ করে তাকে সরিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত। তার ভাষায়, “যখন আর্থিক খাতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরছিল, তখনই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রভাবশালী মহলের জন্য আবারও ব্যাংক খাতে হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের পথ খুলে দেওয়া হলো।”
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাত দীর্ঘদিন ধরে খেলাপি ঋণের চাপ, তারল্য সংকট ও সুশাসনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও শক্তিশালী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গভর্নর পরিবর্তনের ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্ব পরিবর্তন দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নরের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশের আর্থিক খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সুযোগ সৃষ্টি করেছে বিএনপি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের অন্যতম খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ Ahsan H. Mansur-কে Bangladesh Bank-এর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল। তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক অনিয়ম কমানো এবং ব্যাংকগুলোর ওপর তদারকি জোরদারের উদ্যোগ নেয় বলে দাবি করেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, হঠাৎ করে তাকে সরিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত। তার ভাষায়, “যখন আর্থিক খাতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরছিল, তখনই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রভাবশালী মহলের জন্য আবারও ব্যাংক খাতে হস্তক্ষেপ ও অনিয়মের পথ খুলে দেওয়া হলো।”
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাত দীর্ঘদিন ধরে খেলাপি ঋণের চাপ, তারল্য সংকট ও সুশাসনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও শক্তিশালী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গভর্নর পরিবর্তনের ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্ব পরিবর্তন দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন