পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ায় আলাদা করে কোনো শপথের প্রয়োজন নেই; এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কার্যকর হবে। তিনি একে ‘জুলাই সনদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
শনিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপর ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ জয়লাভ করে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি সংসদে বিল আকারে উত্থাপন (রেইজ) করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা শপথ নিয়েছি। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ-এর আবার আলাদা কোনো শপথের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ অটোমেটিক কার্যকর হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রক্রিয়াই ‘জুলাই সনদ’-এর মূল চেতনা ও বাস্তবায়ন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গণভোটে জনগণের রায়ই চূড়ান্ত, এবং সেই রায় বাস্তবায়নে অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই।
তবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমত রয়েছে কি না—তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আইনগত প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ায় আলাদা করে কোনো শপথের প্রয়োজন নেই; এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কার্যকর হবে। তিনি একে ‘জুলাই সনদ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
শনিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপর ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ জয়লাভ করে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি সংসদে বিল আকারে উত্থাপন (রেইজ) করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “আমরা শপথ নিয়েছি। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ-এর আবার আলাদা কোনো শপথের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ অটোমেটিক কার্যকর হবে।”
তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রক্রিয়াই ‘জুলাই সনদ’-এর মূল চেতনা ও বাস্তবায়ন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, গণভোটে জনগণের রায়ই চূড়ান্ত, এবং সেই রায় বাস্তবায়নে অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই।
তবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্নমত রয়েছে কি না—তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আইনগত প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক

আপনার মতামত লিখুন