ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বে এসে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করতে না পারলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি মনে করেন, ক্ষমতায় থাকার সময়ই একটি রাজনৈতিক দলের প্রকৃত পরীক্ষা হয়—বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। এই সময়ে দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশা দুটোই অনেক বেশি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে যদি কিছু নেতা-কর্মী দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন, প্রভাব খাটান বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে সরকারের সামগ্রিক অর্জন ম্লান হয়ে যেতে পারে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ক্ষমতা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার মাধ্যম নয়; বরং এটি জনগণের সেবা করার সুযোগ। তাই দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি অনিয়ম, দখলবাজি, চাঁদাবাজি কিংবা প্রশাসনে অযাচিত হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেন, তবে তা কঠোরভাবে দমন করা উচিত। অন্যথায় জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি যদি সত্যিকার অর্থে পরিবর্তনের বার্তা বাস্তবায়ন করতে চায়, তবে প্রথমেই নিজেদের ভেতরে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, জনগণ পরিবর্তনের আশায় ভোট দিয়েছে। সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। অন্যথায় রাজনৈতিকভাবে যেমন ক্ষতি হবে, তেমনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, দল ও সরকারের সাফল্য নির্ভর করবে তৃণমূল পর্যায়ের আচরণ ও দায়িত্ববোধের ওপর।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্বে এসে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করতে না পারলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। তিনি মনে করেন, ক্ষমতায় থাকার সময়ই একটি রাজনৈতিক দলের প্রকৃত পরীক্ষা হয়—বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। এই সময়ে দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশা দুটোই অনেক বেশি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে যদি কিছু নেতা-কর্মী দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন, প্রভাব খাটান বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন, তাহলে সরকারের সামগ্রিক অর্জন ম্লান হয়ে যেতে পারে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ক্ষমতা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার মাধ্যম নয়; বরং এটি জনগণের সেবা করার সুযোগ। তাই দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি অনিয়ম, দখলবাজি, চাঁদাবাজি কিংবা প্রশাসনে অযাচিত হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেন, তবে তা কঠোরভাবে দমন করা উচিত। অন্যথায় জনগণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি যদি সত্যিকার অর্থে পরিবর্তনের বার্তা বাস্তবায়ন করতে চায়, তবে প্রথমেই নিজেদের ভেতরে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।
দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, জনগণ পরিবর্তনের আশায় ভোট দিয়েছে। সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। অন্যথায় রাজনৈতিকভাবে যেমন ক্ষতি হবে, তেমনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, দল ও সরকারের সাফল্য নির্ভর করবে তৃণমূল পর্যায়ের আচরণ ও দায়িত্ববোধের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন