রমজানকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা ঠেকাতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এক অভিনব কৌশল নিলেন এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট—বোরকা পরে সাধারণ ক্রেতা সেজে বাজারে অভিযান চালালেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা এলাকায়। রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাজারের প্রকৃত চিত্র জানতে ম্যাজিস্ট্রেট ছদ্মবেশে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে নিত্যপণ্যের দাম যাচাই করেন। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা না টানানো এবং ভোক্তা অধিকারবিরোধী নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৭টি দোকানকে জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিত্যপণ্য কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে কঠোর নজরদারি চালানো হবে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ালে বা কারসাজি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় ক্রেতারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের আশা, এমন তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে স্বস্তি ফিরবে এবং অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজানকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা ঠেকাতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এক অভিনব কৌশল নিলেন এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট—বোরকা পরে সাধারণ ক্রেতা সেজে বাজারে অভিযান চালালেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা এলাকায়। রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাজারের প্রকৃত চিত্র জানতে ম্যাজিস্ট্রেট ছদ্মবেশে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে নিত্যপণ্যের দাম যাচাই করেন। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা না টানানো এবং ভোক্তা অধিকারবিরোধী নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৭টি দোকানকে জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিত্যপণ্য কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে কঠোর নজরদারি চালানো হবে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ালে বা কারসাজি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় ক্রেতারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের আশা, এমন তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে স্বস্তি ফিরবে এবং অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে।

আপনার মতামত লিখুন