দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা-উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন
দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার কাঠামোকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে একমত। প্রশাসক দিয়ে দীর্ঘদিন স্থানীয় সরকার পরিচালনা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অনুকূল নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, আইনগত প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে বলে ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার মেয়র ও চেয়ারম্যানদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে তখন অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতারা দায়িত্বে ছিলেন। সরকার পতনের পর তাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তীতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেয়। বর্তমানে এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসকেরাই দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। তবে নির্বাচন আয়োজনের আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা জরুরি বলেও তারা মত দিয়েছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা-উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন
দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বুধবার সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার কাঠামোকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে একমত। প্রশাসক দিয়ে দীর্ঘদিন স্থানীয় সরকার পরিচালনা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য অনুকূল নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, আইনগত প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে বলে ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার মেয়র ও চেয়ারম্যানদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে তখন অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতারা দায়িত্বে ছিলেন। সরকার পতনের পর তাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান।
পরবর্তীতে প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেয়। বর্তমানে এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসকেরাই দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা হলে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। তবে নির্বাচন আয়োজনের আগে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা জরুরি বলেও তারা মত দিয়েছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন